সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
ওজন কমাতে গেলে সাধারণত জাংক ফুড এড়িয়ে চলতে বলা হয়। এমনকি বাড়ির রান্নাতেও কার্বোহাইড্রেট বা শর্করার পরিমাণ কম রাখা হয়। তবে প্রোটিনের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যায় না। শরীর সুস্থ রেখে ওজন কমাতে প্রোটিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
তাই অনেকেই প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের পাশাপাশি প্রোটিন পাউডারও গ্রহণ করেন। কিন্তু ভুল ধরনের প্রোটিন খাবার বেছে নিলে উল্টো ফল হতে পারে। তখন ওজন কমার বদলে বাড়ার আশঙ্কাই বেশি। চলুন, জেনে নিই কোন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

রেস্টুরেন্টের খাবার
রেস্টুরেন্টে গিয়ে কষা মাংস বা বাটার পনিরের মতো খাবার খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। এসব খাবারে শুধু প্রোটিন নয়, অতিরিক্ত তেল ও মশলাও থাকে, যা ক্যালরির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দেয়। এমনকি লো-ফ্যাট পনির, চিকেন ব্রেস্ট, মাছ বা তোফু হলেও রেস্তোরাঁর রান্নায় বাড়তি ক্যালোরি যোগ হয়। তাই বাইরে খেতে হলে ভারী খাবারের বদলে সালাদ বেছে নেওয়াই ভালো।
বাদামের তৈরি মাখন (পিনাট বাটার)
অনেকে মনে করেন, পিনাট বাটার প্রোটিনের ভালো উৎস। কিন্তু বাস্তবে বাদামের তৈরি মাখনে প্রোটিনের তুলনায় ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই পিনাট বাটার খাওয়ার বদলে সরাসরি বাদাম খাওয়াই ভালো। আমন্ড, আখরোট বা চিনাবাদামে প্রোটিনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও পাওয়া যায়।
মাংসের কিমা
যে কোনো ধরনের মাংসের কিমাতেই ক্যালরি বেশি থাকে।
এতে প্রোটিনের তুলনায় ফ্যাটের পরিমাণ বেশি। বিশেষ করে রেড মিট ওজন বাড়ায় এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই এসব এড়িয়ে চলাই ভালো। এর পরিবর্তে ঘরে রান্না করা মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে।
চিজ
প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে অনেকেই চিজ বা পনির খান। কেউ কেউ স্ন্যাকস হিসেবেও চিজ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। কিন্তু নিয়মিত চিজ খাওয়া ওজন বাড়াতে পারে। চিজ় প্রোটিনের তুলনায় ফ্যাট ও সোডিয়াম বেশি থাকে, যা দীর্ঘদিন খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। এর পরিবর্তে টকদই একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
সূত্র: এই সময়









