সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

আজ (গতকাল) বাসায় আছি।
শ্রীলেখা মিত্র দিদি যে চরিত্রটা করেছিলেন আমি সেটাই করছি।
পরিচালক কামরুজ্জামান ভাইকে আমার কথা বলেছিলেন আরেক পরিচালক তাজু কামরুল ভাই।পরে দুজনে আমার কাছে এলেন। ছবিটি করার প্রস্তাব দিলেন।
হ্যাঁ, মাবরুর রশীদ বান্নাহ ভাইয়ের ‘ব্যাডবাজ পোলাপান’ ধারাবাহিকে দুই দিন শুটিং করেছিলাম। পরে মনে হলো নাটকের জন্য আমি প্রস্তুত নই। আরো সময় নেওয়া দরকার। বান্নাহ ভাইকে বুঝিয়ে বললাম। তিনি এখন আমার চরিত্রটি বাদ দিয়ে অন্য অভিনেত্রী নিয়ে শুটিং করছেন।
তাহলে কী নাটক করবেন না?
আরেকটু বুঝতে চাই। আসলে অভিনেত্রী যখন হয়েছি তখন সব মাধ্যমেই তো কাজ করতে হবে। আমার অভিষেক হয়েছিল বড় পর্দায়। বড় অ্যারেজমেন্ট, শুটিংয়ে বড় ইউনিট দেখে অভ্যস্ত। হঠাৎ করে মানিয়ে নিতে পারছি না। বান্নাহ ভাইয়ের ইউনিট কিন্তু বড়ই ছিল। তার পরও কেন জানি হলো না। ধীরে ধীরে এই সেক্টরে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব।
আর কী কী চলচ্চিত্র করছেন?
জাফর আল মামুন ভাইয়ের ‘চাইল্ড অব দ্য স্টেশন’ ও মোহাম্মদ আসলাম ভাইয়ের ‘তবুও প্রেম দামি’ ছবিতে অভিনয় করছি। ‘চাইল্ড অব দ্য স্টেশন’ ছবিটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে। এই ছবিতে আমার সঙ্গে আছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ ভাই। ‘তবুও প্রেম দামি’ ছবিটা রোমান্টিক ঘরানার। আমার সঙ্গে আছেন দেশ ইসলাম। এ ছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘বাহাদুরী’, ‘জ্বলছি আমি’, ‘বাংলার হারকিউলিস’, ‘বান্ধব’সহ কয়েকটি ছবি।
আপনি তো বেশ ব্যস্ত তাহলে। এদিকে অনেক শিল্পীর হাতে কাজ নেই। জীবিকা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তাঁদের নিয়ে কিছু বলবেন?
খুব খারাপ লাগে। আমিও যে খুব ব্যস্ত তা নয়। দুই বছর আগেও মাসে অন্তত ২০ দিন শুটিং থাকত। বাকি ১০ দিন নতুন নতুন ছবির গল্প, নির্মাতাদের সঙ্গে আলোচনা করতাম। মানে মাসের ৩০ দিনই ব্যস্ততা থাকত। এখন সেটা কমে গেছে অনেকাংশে। ২৮ জুলাই একজন শিল্পীর লাইভ দেখলাম। তিনি একটা সময় কান্না চেপে রাখতে পারলেন না। হাতে কাজ নেই, বাসা ভাড়া দিতে পারছেন না। মাঝখানে এক নির্মাতা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন, ৬০ হাজার টাকার জন্য তার মেয়েকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে পারেননি। চোখের সামনে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেখলে কোন বাবার ভালো লাগে বলেন? এসব দেখে আসলে আমারও কান্না পায়। খুব ইচ্ছা করে সবাই মিলে যদি ভালো থাকতে পারতাম!
এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার জন্য শিল্পীদের কী করা উচিত?
আমাদের আসলে কর্মক্ষেত্র বাড়াতে হবে। তা ছাড়া প্রযোজকরা এখন আগের মতো লগ্নি করছেন না। তাঁদেরও উৎসাহিত করতে হবে। এখন শুধু ঈদকেন্দ্রিক ছবি হচ্ছে। অভিনেতারাও হাতেগোনা কয়েকজন। এই সিন্ডিকেটও ভাঙতে হবে। নইলে যাঁরা কাজ পাচ্ছেন না, তাঁরা কখনোই আর কাজ পাবেন বলে মনে হয় না।









