লাইফ স্টাইল

ইউরিক এসিডকে দূরে রাখবে যেসব বীজ

নিউজ ডেস্ক৪ মে ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

ইউরিক এসিড বৃদ্ধির সমস্যা আজকাল সাধারণ হয়ে উঠেছে। শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে গাউট, জয়েন্টে ব্যথা, ফোলাভাব এবং কিডনি সম্পর্কিত সমস্যা হতে পারে। যদি শরীরে কিছু পরিমাণে ইউরিক এসিড থাকে, তবে এর বৃদ্ধি বিপজ্জনক হতে পারে।

ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।

এমন কিছু বীজ আছে, যা ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সেই বীজগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।
ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে বীজ

কুমড়ার বীজ : কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এই বীজগুলো ইউরিক এসিডের মাত্রা কমাতে সহায়ক।

সুবিধা

ম্যাগনেসিয়াম ইউরিক এসিডের স্ফটিকীকরণ রোধ করে।
এতে উপস্থিত ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড প্রদাহ কমায়।
এতে থাকা ফাইবার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

কিভাবে খাবেন

ভাজা কুমড়ার বীজ ব্রেকফাস্ট হিসেবে খাওয়া যেতে পারে অথবা সালাদ ও স্মুদিতে যোগ করা যেতে পারে।

ফ্ল্যাক্স সিড : ফ্ল্যাক্স সিডে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড ও লিগনান থাকে, যা ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সুবিধা

ওমেগা-থ্রি প্রদাহ ও ব্যথা কমায়।
ফাইবার শরীর থেকে ইউরিক এসিড অপসারণে সহায়ক।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে বিষমুক্ত করে।
কিভাবে খাবেন

ফ্ল্যাক্স সিডকে পেষ্ট দই, সালাদ বা স্মুদিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

সূর্যমুখী বীজ : সূর্যমুখী বীজ ভিটামিন ই, সেলেনিয়াম ও স্বাস্থ্যকর চর্বির একটি ভালো উৎস। এগুলো শরীরে ইউরিক এসিডের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে এবং কিডনিকে বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে।

কিভাবে খাবেন

এগুলো ভেজে ব্রেকফাস্টে রাখতে পারেন।
এটি দই বা স্মুদিতে মিশিয়ে খান।
চিয়া সিড

চিয়া সিড প্রোটিন, ফাইবার এবং ওমেগা-থ্রি এর একটি ভালো উৎস, যা ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সুবিধা

ফাইবার শরীর থেকে ইউরিক এসিড দূর করে।
ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী করে।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে।

কিভাবে খাবেন

চিয়াসিড পানিতে ভিজিয়ে জেল তৈরি করুন এবং স্মুদি, দই বা ওটমিলের সঙ্গে মিশিয়ে খান।

তিল

তিলের বীজে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে, যা ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সুবিধা

তামা ইউরিক এসিডের বিপাক উন্নত করে।
প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য জয়েন্টের ব্যথা কমায়।
ফাইবার হজম ব্যবস্থা সুস্থ রাখে।

কিভাবে খাবেন

তিল ভেজে লাড্ডু বানানো যেতে পারে অথবা সালাদ ও সবজির ওপর ছিটিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

 

সূত্র: কালের কণ্ঠ