অর্থ ও বাণিজ্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তলা এখন যেমন

নিউজ ডেস্ক২৮ মার্চ ২০১৭২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের লিফট দিয়ে ১৩ তলায় উঠতেই গাঢ় অন্ধকার। গত বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার পর ছিল তিন দিনের সরকারি ছুটি। সোমবার অফিস খুললেও ১৩ ও ১৪ তলায় অফিস করার পরিবেশ নেই।

 

বৃহস্পতিবারের পর সোমবার প্রথমবারের মতো সেখানে সাংবাদিকদের ঢোকার সুযোগ হয়। ছুটির পর কাজের জায়গায় এসে এলোমেলো অফিস, চারপাশে ছাই, মেঝেতে ছাই-পানির নোংরা দেখে দমে গেছেন সবাই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই বলেছেন, নিজের কাজের জায়গার এমন দশা দেখে তারা বিষন্ন। সবার মধ্যেই এক আলোচনা, কে করলো এমন কাজ কিংবা কিভাবে হয়ে গেল এমন একটা ঘটনা।

 

গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ৩০তলা ভবনের ১৪তলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে আগুনের শিখা দেখা যায়। ফায়ার সার্ভিস এসে ৩০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

১৩ তলা থেকে সিড়ি বেয়ে ১৪ তলায় উঠতেই চোখে অন্ধকার আরও ধাক্কা মারে, সঙ্গে নাকে এসে লাগে বিকট পোড়া গন্ধ। মেঝেতে কালো ছাই আর পানি মিলে এক ধরনের কালো ঢেউ তৈরি হয়েছে। চারপাশে কালো অন্ধকার, একেবারে রাতের মতো। নেই কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ। শুধু বাইরে থেকে আসা সূর্যের আলোয় আবছাভাবে কিছুটা দেখা যাচ্ছিল।

 

আগুনে পুড়ে যাওয়া কক্ষটি বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মাসুদ বিশ্বাসের। রুমে ঢোকার অনুমতি না মেলায় বাইরে থেকে দেখা যায়, কক্ষে থাকা আলমারি, চেয়ার-টেবিল, টেবিলে থাকা কম্পিউটার, প্রিন্টার ও টেলিফোন সেট পুড়ে গেছে। রুমটি কালো কয়লার মতো হয়ে গেছে পুড়ে। মাসুদ বিশ্বাসের ব্যবহৃত চেয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। তার সহকারীর টেবিল-চেয়ারও সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। আগুনে পুড়ে পুরো বিভাগটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আগুন নেভাতে ব্যবহৃত পানির কারণে অন্যান্য ডেস্কের বেশ কিছু কাগজপত্র নষ্ট হয়েছে। এছাড়া পুরো ফ্লোরটাই কালো হয়ে পড়েছে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন