রফিকুল ইসলাম
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ৯০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ভালো কথা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এটা কাদের স্বার্থে গঠন হয়েছে-তা আমাদের মতো নতুন উদ্যোক্তারা আদৌ কী জানতে পারবে, নাকি সে সুবিধা পাবে কখনো? আমার তো মনে হয়, কখনোই জানবেও না, পাবেও না। কিন্তু এভাবে কতকাল জনগণের টাকা নিয়ে আপনারা ঘরে বসে তামাশায় মেতে উঠবেন?
উদ্যোক্তাদের নামে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকার তহবিল যায় কোথায়?
বাস্তবতা হলো, আমরা যারা উদ্যোক্তা, তারা ব্যাংক ঋণ নিতে গিয়ে দেখি, কত কষ্ট আর হ/য়/রানি গ্যাঁ/ড়া/কল। হাতেপায়ে ধরে কিছু টাকা জুটলেও আকাশচুম্বী সুদের হারে কোণঠাসা হতে হচ্ছে। কিন্তু যারা শত শত কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে সুদ আদায় তো দূরের কথা; আসল টাকাও ফেরত আনতে পারে না ব্যাংকগুলো। অথচ বছর বছর নানা ফ/ন্দি-ফিকিরে হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করে উল্টো সেই রাঘব বোয়ালদের নামেই দেয়া হচ্ছে শত শত কোটি টাকা ঋণ।
আসল কথা বলি, এসব ফান্ড গঠনের মূল উদ্দেশ্যই হলো, শত শত কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে মোটা অংকের কমিশন বাণিজ্য করা যায়-যা দিয়ে ব্যাংকের বড় বড় কর্তা এবং ফান্ড গঠনে যুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত পকেট ভারি হয়। আরেকটা শ্রেণিও রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়। তাহলে বড় ফান্ড গঠনে অসুবিধা কোথায়? কো বাধা দিবে আপনাদের?









