রফিকুল ইসলাম
গত ৫ আগস্টের পরে সরকারি আদেশে জনপ্রতিনিধিত্বের পদগুলোতে যেসব আমলারা দায়িত্ব নিয়েছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ন্যুব্জ অবস্থায় পড়েছে। উন্নয়ন তো দূরের কথা; জনসেবাও উঠেছে লা*টে। মানুষের হ*য়*রা/নিরও যেন শেষ নাই। সেবাপ্রার্থীরা কাউকে সেসব নিয়ে অভিযোগও করতে পারছেন না তেমন। অভিযোগ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। কারণ প্রশাসক হচ্ছেন সরকারি আমলা।
নিজেদের দায়িত্ব পালন নিয়েই যেখানে নানা অভিযোগ উঠে, সেখানে নতুন করে গুরু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারাও যেন হাঁ/পিয়ে উঠেছেন। আবার বড় বড় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পেয়ে অনেকের হামড়ি-তামড়িও বেড়েছে। অ/নিয়মও রোধ হয়নি বিন্দুমাত্র। বরং অনেক ক্ষেত্রেই বেড়েছে।

অন্যদিকে, যেহেতু দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকেদের (আমলা) কোনো দায়বদ্ধতা নাই জনগণের কাছে, সেহেতু জনসেবা হলো কি হলো না; সেটা নিয়ে তাঁদের কোনো ভ্রুক্ষেপও তেমন নাই। এই অবস্থায় ইসরাককে মেয়র ঘোষণা করা হলে ক্ষতি কী? আমি তো মনে করি উচিত কাজটিই করেছেন বিচারক মহোদয়।
শুধু ঢাকা দক্ষিণ সিটি নয়, দেশের সব জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পদগুলোতে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের হাতেই দায়িত্ব ছেড়া দেয়া উচিত। তা হলে জনপ্রতিনিত্বহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতর গিয়ে যে যার মতো করে অযাচিত খবরদা/রি যারা করছেন, সেটিও বন্ধ হবে।
সবিশেষ কথা হলো, “আমলা নয়, জনপ্রতিধিদের হাতেই থাকুক জনসেবার দায়িত্ব।”
লেখক ও সাংবাদিক









