সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো হার্ট। তাই হার্ট ভালো রাখা জরুরি। আর হার্ট সুস্থ থাকলে আপনিও সুস্থ থাকবেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হার্টের খেয়াল রাখা বাড়িয়ে দিতে হবে।
কারণ এ সময় ধীরে ধীরে হার্ট কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে।
বর্তমান সময়ে কম বয়সেই হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারাচ্ছে বহু মানুষ। প্রবল গরমে জীবন একেবারে নাজেহাল। চড়া রোদে মানুষের অবস্থা খারাপ।

যখন তখন হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তীব্র গরমের ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে হৃদ্রোগের ঝুঁকিও। বিপদের সামনে এসে দাঁড়াতে পারে যখন তখন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কোনো আগাম সংকেত ছাড়াই আসে।
হৃদ্স্পন্দন অনিয়মিত হতে শুরু করলেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সম্ভাবনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
শীতকালে সাধারণত এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হলেও গরমেও যখন তখন হানা দিতে পারে হৃদ্রোগ। হিট স্ট্রোকের ফলে হঠাৎ রক্তচাপ কমে যেতে পারে। আর তখনই ঘটতে পারে বিপত্তি।
কর্মব্যস্ত জীবনে বাড়তে থাকা মানসিক চাপ এবং চাপা উদ্বেগও হৃদ্রোগের অন্যতম কারণ হতে পারে।
ধমনি ব্লক হয়ে গেলে অক্সিজেনযুক্ত পরিশুদ্ধ রক্ত হৃদ্যন্ত্রে পৌঁছতে পারে না, তখনই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি।
দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে হৃদ্যন্ত্রের সেই অংশটি অকেজো হয়ে যায়। গরমের দিনে সামান্য কিছু খেলেই হজম করতে বেশ অসুবিধা হয়। বদহজম হলে হার্টের ওপর তার প্রভাব পড়ে। সুতরাং সাবধান হওয়ার সময় এসেছে।
গরমে কিভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াবেন
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরের তাপমাত্রা যত স্বাভাবিক থাকবে, হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমবে।
গরমে যত হালকা খাবার খাবেন, ততই হার্টের জন্য ভালো।
শাক-সবজি, বাদাম, ফল বেশি করে খান। এতে উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমবে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে।
গরমে ক্লান্ত লাগলেও শরীরচর্চা বাদ দেবেন না। ভারী শরীরচর্চা না করলেও সন্ধ্যার পর হাঁটাহাঁটি করুন। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, দিনে ৩০ মিনিট হাঁটলেও কমানো যায় হৃদরোগের ঝুঁকি।
৭-৮ ঘণ্টার কম ঘুম উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ডিপ্রেশনের মতো ক্রনিক অসুখ ডেকে আনতেই পারে। আর এই সব শারীরিক অবস্থা হার্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









