সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
ধরুন, সপ্তাহে পাঁচ দিন শরীরচর্চা করতে হবে। অতএব তিন দিন সাঁতার আর দু’দিন যোগাসন। আবার, দু’দিন জিমে গিয়ে ঘাম ঝরালেন আর তিন দিন সাইকেল চালালেন, এমনটাও হতে পারে। কিন্তু যদি হাতে খুব বেশি সময় না থাকে, তা হলে কী করবেন? সে ক্ষেত্রে দিন অনুযায়ী আলাদা আলাদা মাধ্যম বেছে না নিয়ে ‘ওয়াকিং যোগ’ করা যেতে পারে। মানে হাঁটতে হাঁটতে যোগাসন করতে হবে? না কি যোগাসন করতে করতে হাঁটতে হবে? তাতে কী লাভ হবে?
যোগাসন এবং হাঁটাহাটি— এই দু’য়ের মিশ্রণেই তৈরি হয়েছে এই ‘ওয়াকিং যোগ’। হাঁটাহাটির করার শরীরের জন্য ভাল। হাঁটার উপকারিতা কয়েক গুণে বাড়িয়ে তুলতে পারে যোগাসন। যোগ প্রশিক্ষকেরা বলছেন, ম্যাটে বসে শুধু যোগাসন কিংবা পার্কে শুধু হাঁটাহাঁটি না করে, ওয়াকিং যোগ অভ্যাস করলে। তাতে দু’য়ের ফল একসঙ্গে পাওয়া যায়।

নিয়মিত ‘ওয়াকিং যোগ’ করলে আর কী উপকার হবে?
বয়স্কদের মধ্যে অনেকেই নিয়মিত সকাল-বিকেল পার্কে হাঁটতে যান। কিন্তু মন দিয়ে হাঁটেন না। শরীরের গঠনভঙ্গিও সবসময়ে টান টান থাকে না। ফলে শরীরে তার বিশেষ প্রভাবও পড়ে না। কিন্তু ওয়াকিং যোগ সেই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করে দেয়। টান টান হয়ে দাঁড়িয়ে বা পিঠ, কাঁধ সোজা রেখে, পেটের পেশি টান টান করে খানিকটা হাঁটাচলা করলে তবেই উপকার মেলে। তাতে দেহের ভারসাম্য ধরে রাখার কাজটিও সহজ হয়। অন্য দিকে সারা দিনে ক্লান্তি, মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা অবসাদ কাটানোর খুব ভাল পন্থা হতে পারে এই ‘ওয়াকিং যোগ’। মাথা থেকে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা দূর করতেও সহায়তা করে। ফলে শারীরিক এবং মানসিক, দু’ভাবেই সক্রিয় থাকা যায়।
তবে প্রশিক্ষকেরা বলছেন, ‘ওয়াকিং যোগা’-র অনেক গুণ রয়েছে। কিন্তু তা সকলের পক্ষে উপযুক্ত নয়। তুলনায় কমবয়সিরা যাঁরা, তাঁদের কাছে এই মাধ্যমটি মন্থর। আবার যাঁরা শারীরিক কসরত করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্যও এটি খুব একটা লাভদায়ক নয়। কিন্তু হাঁটতে হাঁটতে কী ধরনের যোগাসন অভ্যাস করা যায়? পার্কে দু’রাউন্ড হেঁটে এসে তার পর বৃক্ষাসন কিংবা তাড়াসন অভ্যাস করা যেতে পারে। হাঁটতে হাঁটতে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া-ছাড়া, কাঁধ কিংবা হাতের ব্যায়ামও করা যায়।









