সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
আজকাল আমাদের বেগতিক জীবনযাত্রার কুপ্রভাব পড়ছে হার্টের ওপর।

এই বিদেশি ফলের স্বাস্থ্যগুণের কোনো তুলনা নেই। এতে রয়েছে একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। যে কারণে ব্ল্যাকবেরি খেলে অনায়াসে পুষ্টির ঘাটতি মিটে যায়। শুধু তাই নয়, এই ফলে মজুত অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভাস্কুলার হেলথ উন্নত করে।
ব্ল্যাকবেরির মতো ব্লুবেরিও পুষ্টির খনি। এতে উপস্থিত নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের গুণে কোষের কার্যকারিতা বাড়ে।
পেঁপে
আমাদের মধ্যে অনেকেই পেঁপেকে ফল হিসাবে তেমন একটা পাত্তা দেন না। যদিও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও একাধিক জরুরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এসব উপাদান ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে হার্টের অসুখ প্রতিরোধসহ একাধিক জরুরি কাজে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে শরীরে প্রদাহ কমানোর কাজেও এই ফলের জুড়ি মেলা ভার। তাই আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই পাকা পেঁপেকে ডায়েটে জায়গা করে দিন। তাতেই সুফল পাবেন হাতেনাতে।
লাল আঙুর
আমরা সাধারণত সবুজ রঙের আঙুর খাই। তবে বেশি উপকার পেতে চাইলে ভরসা রাখুন লাল আঙুরে। কারণ এই ফলে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনলস রয়েছে যা হার্টের অসুখ দূরে রাখে। সেই সঙ্গে সুগার কন্ট্রোলে রাখা, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ, প্রদাহ প্রশমিত করাসহ একাধিক উপকারও করে লাল আঙুর। আর সবথেকে বড় কথা, এই ফল নিয়মিত খেলে উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরলও বাড়ে। সুতরাং সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত এই ফল খেতে ভুলবেন না।
আপেল
কথায় আছে, নিয়মিত একটা গোটা আপেল খেলে অনায়াসে একাধিক রোগের ফাঁদ এড়িয়ে চলা যায়। আর এই কথাটা ১০০ ভাগ সত্যি। আসলে এই ফলে রয়েছে জরুরি সব ভিটামিন ও খনিজ। এর পাশাপাশি এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের গুণে হার্টের আসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তার পাশাপাশি কন্ট্রোলে থাকে হাজার অসুখ। তাই চেষ্টা করুন রোজের ডায়েটে অবশ্যই আপেলকে জায়গা করে দেওয়ার। তাতেই উপকার পাবেন হাতেনাতে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









