জাতীয়

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস

নিউজ ডেস্ক১১ মার্চ ২০১৭২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক: একাত্তরের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞে নিহতদের স্মরণে ‘গণহত্যা দিবস’ পালনের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে প্রস্তাব সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে।
প্রায় সাত ঘণ্টা আলোচনার পর সংসদে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ ৫৬ জন সংসদ সদস্য এই আলোচনায় অংশ নেন।

 

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ’৭১ এর ২৫ মার্চ পাকিস্তানী বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার চিত্র তুলে ধরে এ দিনকে জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানিয়ে বলেছেন, জাতীয়ভাবে পালনের পাশাপাশি এক দিন এ দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করবে।
তিনি আজ সংসদে ২৫ মার্চকে জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব সম্বলিত জাসদের শিরীন আখতারের আনা ১৪৭ বিধির প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।


রওশন এরশাদ বলেন, ’৭১ এর ২৫ মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে একটা ভয়াবহ রাত ছিল। আরেকটি ভয়াবহ রাত ছিল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট, যেদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে ঘৃন্য ঘাতকরা নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ দুঃখ জনক ঘটনা বিশ্বের কোনো জাতির জীবনে আসেনি।
তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, পিতা, মা ভাইসহ স্বজন হারানোর কষ্ট নিয়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী বাহিনীর বাঙালীকে মেধা শূণ্য করার জন্য এ গণহত্যা চালিয়েছিল। এ উদ্দেশ্যেই তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আক্রমন করে মেধাবী শিক্ষক ও ছাত্রদের হত্যা করেছিল। এছাড়া বিডিআর পুলিশ লাইনে আক্রমন করে সেখানেও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। সেদিনে ঘটনা আজো সেময়ের যারা বেঁচে আছেন তাদের কাছে ভয়াবহ ঘটনা হিসাবে স্মৃতিতে রয়ে গেছে।
তিনি সে দিনের ভয়াবহ ঘটনা এবং গোটা মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকার চিত্র দেশের আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জাতির কাছে তুলে ধরার ব্যবস্থা করার আহবান জানান। পাশাপাশি স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কেন বিতর্ক হবে এ প্রশ্ন তুলে ধরে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুবুর রহমান মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ফলে তিনিই স্বাধীনতার ঘোষক।

সূত্র: কালের কণ্ঠ