নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছাদ থেকে পড়ে খোরশেদ আলম (৪৫) নামের ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের লালপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। তবে কাউকে না জানিয়ে খোরশেদ আলমের মরদেহ তড়িঘড়ি করে রাতেই দাফন করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। এতে তার মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের মৃত নজের আলীর ছেলে জয়নাল আবেদীন পাকা রাস্তার পূর্বে পাশে একতলা মার্কেট নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। মার্কেটটি নির্মাণের পর থেকে বিশেষ করে দুপুর এবং সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত মার্কেটের ছাদে স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা সিগারেট খাওয়া জন্য ও বিভিন্ন বয়সী মাদকসেবনকারীরা মাদকসেবন করার জন্য মার্কেটের সিঁড়িঘরসহ ছাদটি নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়।

বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার পর নিহত খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন মাদকসেবী জয়নাল আবেদীনের মার্কেটের ছাদে বসে চোলাইমদ খাওয়া অবস্থায় নিচে পড়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় মৃত্যু হয়। মার্কেট মালিক জয়নাল আবেদীন পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে না জানিয়ে নিহত খোরশেদ আলমের পরিবারের লোকজন সাথে মিমাংসা করে তড়িঘড়ি করে গোপনে দাফন সম্পূর্ণ করেন।
এমন কি ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকেও জানানো হয়নি। ঘটনার পর থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত ছাদে কয়েকটি টাইগারের বোতলে চোলাই মদ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
সারাক্ষণ মার্কেটের সিঁড়িঘরসহ ছাদ খোলা থাকায় নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে সিগারেটসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য সেবন করে প্রতিনিয়ত যুব সমাজ নষ্ট হচ্ছে। পরর্বতীতে ওই মার্কেটে এধরনের কার্যক্রম না হয়। সেজন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
মার্কেট মালিক জয়নাল আবেদীন বলেন, ছাদ পড়ে নেশাগ্রস্ত খোরশেদ আলমের মৃত্যু পর তার পরিবারের সাথে মিমাংসা করে মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
ধুরইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। দাফনে পর শুনেছি।
মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরিদাস মন্ডল বলেন, পুলিশকে না জানিয়ে রাতেই নিহত খোরশেদ আলমের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। শুক্রনার সকালে বিষয়টি শোনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে তদন্ত করা হয়েছে।









