ধর্ম

বসুন্ধরার হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার রাজশাহী অডিশনে ইয়েস কার্ড পেল ১১ জন

নিউজ ডেস্ক৫ ডিসেম্বর ২০২৩২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর রাজশাহী বিভাগের অডিশনে ইয়েস কার্ড পেয়েছেন ১১ জন কুরআনে হাফেজ। ১০ জন নেওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ বিবেচনায় ১১ জনকে নেওয়া হয়। বাছাইয়ের শুরুতে ৫০ জনকে ইয়োলো কার্ড দিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও নেওয়া হয় ৫৩ জনকে। সেখান থেকে বাছাই করে ১১ জনকে ইয়েস কার্ড দেন বিচারকরা।

তারা এবার ঢাকায় গিয়ে জাতীয় পর্যায়ের কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন ক্ষুদে কুরআনে হাফেজ প্রতিযোগীরা। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ মুসল্লি কমিটির আয়োজনে হাফেজদের সর্ববৃহৎ মিলনমেলা হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৪ ‘কুরআনের নূর’ এর রাজশাহী বিভাগের এই অডিশন পর্ব চলে মঙ্গলবার সারাদিন। এতে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন পাঁচ শতাধিক। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ‘কুরআনের নূর পাওয়ার্ড বাই বসুন্ধরা’ শিরোনামে রাজশাহী মহানগরীর মালোপাড়ায় থাকা দারুল উলুম মাদরাসা চত্বরে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন পর্ব। প্রতিযোগিতার জন্য চারটি বুথে রেজিস্ট্রেশন করা হয় রাজশাহী বিভাগের কুরআনের পাখিদের।

এরপর সকাল সোয়া ১০টায় শুরু হয় অডিশন পর্ব। এ সময় ১৫ বছরের কম বয়সী ৩০ পারা হাফেজদের সর্ববৃহৎ মিলনমেলায় পরিণত হয় আন্তর্জাতিক এই হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা। রাজশাহীর রাজপাড়া থানার তানজিমুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসার ১২ বছর বয়সী হাফিজ আব্দুল্লাহ আল ফাহিম ও সাদমান হাফিজ সাদিক বলেন, আন্তর্জাতিক এই কুরআন প্রতিযোগিতার জন্য তাদের শিক্ষক বিগত কিছু দিন থেকে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তাদেরকে এ প্রতিযোগিতার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করেছেন। তাই আজ তারা সকাল সকালেই হাজির হয়েছেন এই ভেনুতে। এদিন বাছাই পর্বে অংশ নেওয়া রাজশাহী বিভাগের চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে জাতীয় পর্যায়ের জন্য ১১ জনকে ইয়েস কার্ড দেন বিচারকবৃন্দ। পবিত্র কুরআন শুদ্ধভাবে মুখস্থ, তাজবিদের অনুসরণ, কণ্ঠের মাধুর্য-এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়েই সেরা হাফেজ নির্বাচন করেন বিচারকরা।

বসুন্ধরার জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার রাজশাহী বিভাগের অডিশনের সমন্বয়ক হাফেজ মাওলানা মো. ইকবাল হোসাইন হাবিবি জানান, ছয় জনের বিচারক মণ্ডলী এই প্রতিযোগিতার বাছাই পর্বে ছিলেন। তারা হলেন, হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম, হাফেজ মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, হাফেজ মাওলানা মুফতি ইয়াকুব আলী, হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া হাবিবি, মুফতি মাওলানা আবদুস সবুর ও হাফেজ মাওলানা আবু সাঈদ। এছাড়া বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আহসান-উল-হক জিলানী এই পুরো অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন।