
সিল্কসিটি নিউজ ডেস্ক
বিবাহিত নারীদের অনেকেই স্বামীর বাড়ির লোকদের পাত্তা দেন না। নিজের বাড়ির লোকই যেন সব। তাই তারা মাসের বেশিরভাগ সময় বাপেরবাড়িতেই কাটান। আর স্ত্রীর এমন আচরণ দেখে স্বামীর মনে উঁকি দেয় একরাশ হতাশা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে অহেতুক চিৎকার-চেঁচামিচি করলে সমস্যার শেষ থাকবে না। বরং পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যাওয়ার আশঙ্কাই বাড়বে। তাই এমন অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে আপনাকে সমস্যার মূলে পৌঁছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাই আর দেরি না করে স্ত্রীর অত্যধিক বাপেরবাড়ি প্রীতির কারণ সম্পর্কে জেনে নিন। তারপর এই সমস্যা সমাধানে কাজে নেমে পড়ুন-
১. শ্বশুরবাড়িতে মানিয়ে নিতে পারছেন না
অনেক সময় বিবাহিত নারীদের পক্ষে শ্বশুরবাড়ির সকলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না। আর এই কারণেই তারা বারবার নিজের বাড়ি ছুটে যান। তাই স্ত্রী যদি একাধিকবার বাবার বাড়ি যান, তাহলে আপনাকে নিজের সংসারের অন্দরমহলে নজর দিতে হবে। বোঝার চেষ্টা করতে হবে যে আদৌ তিনি শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন কি না। তারপর সেই মতো ব্যবস্থা নিন।
২. আপনার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়েছে কি?
শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীর সবচেয়ে আপন হলেন স্বামী। এবার কোনো কারণে স্বামীর সঙ্গে প্রায়ই মনোমালিন্য হতে থাকে, তাহলে তারা বাপেরবাড়িতে থাকার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। তাই নিজের স্ত্রীর সঙ্গে অহেতুক ঝামেলা করবেন না।
৩. নিজের পরিবারকে সময় দিতে চান
আপনিও যেমন আপনার পরিবারের সন্তান, স্ত্রীও ঠিক তাই। তাই তিনিও যে নিজের বাবা-মাকে প্রয়োজনে সময় দেবেন, এজন্য স্ত্রী যদি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হন, তাহলে তাকে বাবার বাড়ি যেতেই হবে। এজন্য অহেতুক স্ত্রীকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। বরং এই পরিস্থিতিতে তার পাশে থাকুন। এই কাজটা করলেই আপনারা সুখে সংসার করতে পারবেন।
৪. আপনাকে ভালোবাসেন না
অনেকে সময় বিয়ের কয়েক বছর পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা উবে যায়। আর এমন পরিস্থিতিতে নারীরা শ্বশুরবাড়ির মায়া ত্যাগ করে বারবার বাবার বাড়িতে থাকতে যান। তাই আপনার স্ত্রী যদি বিয়ের কিছু বছর পর হঠাৎ করেই বাবার বাড়িতে থাকার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েন, তাহলে নিজের সম্পর্কের দিকে নজর ফেরাতেই হবে। নাহলে কখন যে দাম্পত্যে কড়া নাড়বে ডিভোর্সের ফাঁদ, তা ধরতেও পারবেন না।
৫. আপনি বেশি ভাবছেন কি?
নারীরা সপ্তাহে এক-আধবার নিজের বাড়ি যেতেই পারেন। তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এমনকী এই নিয়ে অহেতুক ঝগড়া করাও ঠিক হবে না। বরং এটা আপনার বেশি ভাবনা। তাই এমন ভুল আর করবেন না। চেষ্টা করুন সবসময় স্ত্রীর পাশে থাকার।








