সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
স্বল্প মূল্যে ভালো স্পেসিফিকেশনের ফোন গ্রাহকের হাতে তুলে দেওয়ার কারণে শাওমির রেডমি সিরিজটি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ সিরিজের সর্বশেষ ফোনগুলোর একটি হচ্ছে রেডমি ৪ প্রাইম, যা মূলত মাঝারি মূল্যের বলা যেতে পারে।
তবে ফোনটি এর মূল্যের চেয়ে স্পেসিফিকেশনের দিক থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসিফিকেশনই সবসময় শেষ কথা নয়- অতীতে অনেক বারই দেখা গিয়েছে। এ ফোনের ক্ষেত্রেও সেটি খাটে কিনা তা সময়ই বলে দেবে।

চলুন দেখা যাক রেডমি নোট ৩ প্রো-এর মতো রেডমি ৪ প্রাইমও ব্যবহারকারীদের মন জয় করার মত কিনা।
এক নজরে শাওমি রেডমি ৪ প্রাইম
- ৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১৯২০x১০৮০পি রেজুলেশন, আইপিএস এলসিডি প্যানেল
- কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬২৫ প্রসেসর, ৮টি কর্টেক্স এ৫৩ কোর- যা ২ গিগাহার্জ গতিতে চলতে সক্ষম
- অ্যাড্রিনো ৫০৬ জিপিউ
- ৩ গিগাবাইট র্যাম, ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজ, মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট
- ডুয়াল সিম, তবে ২য় সিম ব্যবহারে এসডি কার্ড ব্যবহার করা যাবে না (হাইব্রিড স্লট)
- ১৩ মেগাপিক্সেল, f/2.2, ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস ব্যাক ক্যামেরা, ডুয়াল টোন ফ্ল্যাশ
- ৫ মেগাপিক্সেল, f/2.2 সেলফি ক্যামেরা
- ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এফ এম রেডিও, জিপিএস
- মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট
- পেছনে ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর
- ৪১০০ এমএএইচ ব্যাটারি খোলা যাবে না
- অ্যান্ড্রয়েড ৬.০.১ মার্শমেলোর ওপর তৈরি মিইউআই ৮.০ অপারেটিং সিস্টেম
ডিজাইন
ডিজাইনের দিক থেকে ফোনটি আগের রেডমি ৩-এর থেকে বেশ আলাদা। এটির সঙ্গে হুয়াওয়ের মেট৮ মিনির অনেক মিল রয়েছে। তবে রেডমি নোট ৩ বা ৪ এর সঙ্গেও কিছুটা মিল পাওয়া যাবে।
সম্পূর্ণ উচ্চমানের অ্যালুমিনিয়ামে তৈরি ফোনটির পেছনে রয়েছে ক্যামেরা। ঠিক এর নিচেই একই সমান চক্রাকার ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সরটি খুঁজে পাওয়া যাবে। ক্যামেরার বাম পাশে রয়েছে ফোনটির ডুয়াল-টোন এলইডি ফ্ল্যাশ।
ডান পাশে রয়েছে ভলিউম ও পাওয়ার বাটন ও বাম পাশে ডুয়াল সিম ও মেমরিকার্ড স্লট- হাইব্রিড ট্রে। ফোনটির তলদেশে রয়েছে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, মাইক্রোফোন, স্পিকার এবং উপরে রয়েছে নয়েজ ক্যান্সেলিং মাইক ও হোডফোন জ্যাক।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, ফোনটিতে আইআর এমিটার রয়েছে – ফলে টিভি, এসি ফোন থেকেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনের উপরের দিকে রয়েছে কথা বলার স্পিকার, সেলফি ক্যামেরা, প্রক্সিমিটি সেন্সর। নিচে রয়েছে ক্যাপাসিটিভ কীগুলো। সর্বোপরি, ফোনটি হাতে নিলে কোনওভাবেই প্রিমিয়াম বিল্ড চিন্তা না করার কোনও কারণ নেই।

পারফরমেন্স
এক কথায় বললে, ফোনটির দাম ও পারফরমেন্স দুটোই মিড রেঞ্জের। এর মানে এটি ব্যবহারে ল্যাগ বা হ্যাং হবার সম্ভাবনা বেশ কম। আবার ভারি গেইম খেলার সময় গতিময় পারফরমেন্স আশা করা বোকামি। তবে আর যাই হোক, র্যামের স্বল্পতায় পরতে হবে না কখনই।
ফোনটিতে ব্যবহৃত কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬২৫ প্রসেসরটিতে ৮টি ৬৪বিট কর্টেক্স এ৫৩ কোর ব্যবহার করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ২ গিগাহার্জ গতিতে চলতে সক্ষম। ৮টি কোর হলেও, কোনও কর্টেক্স এ৭২ কোর না থাকার ফলে প্রসেসরটি স্ন্যাপড্রাগন ৬৫০ বা ৬৫২এর চাইতে কম কাজ করবে।
তবে সেটি দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে না। এটির গিকবেঞ্চ স্কোর নিচে দেয়া হলো
সূত্র : টেকশহর









