লাইফ স্টাইল

কোলেস্টেরল কমাতে ৫টি পানীয়

নিউজ ডেস্ক৬ সেপ্টেম্বর ২০২২২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্কঃ

উচ্চ কোলেস্টেরল শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। উচ্চ কলেস্টেরল বন্ধ করে দিতে পারে আপনার হার্টের রক্তনালি সরু বা বন্ধ করে দিতে পারে। যার কারণে, রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। সঙ্গে বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ///বাড়িয়ে দেয়।

শরীরে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এই ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন। আজ পাঠকদের জন্য থাকছে উচ্চ কোলেস্টেরল কমাতে পারে এমন কয়টি পানীয়।

সয়া মিল্ক

সয়া মিল্কে অল্প পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এই দুধের ক্রিম স্বাস্থ্যকর। এটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। হার্টের জন্যও ভালো। যুক্তরাষ্ট্রের, ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) প্রতিদিন ২৫ গ্রাম সয়া প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। অবশ্যই যেন সয়া মিল্কে বাড়তি চিনি, লবণ বা চর্বি যোগ করা না থাকে। কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে লেখাটি পড়ে কিনবেন।

টমেটোর জুস

টমেটো লাইকোপেন-সমৃদ্ধ। এই উপাদানটি আপনার লিপিডের মাত্রা বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। টমেটোর রসে আছে কোলেস্টেরল কমানোর ফাইবার এবং নিয়াসিন।

২০১৫ সালের একটি গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণায় ২৫ জন নারী (২০-৩০ বছর) দুই মাস ধরে প্রতিদিন ২৮০ মিলি টমেটোর রস পান করেছেন। এর ফলে তাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পেয়েছে।

ওটসের তৈরি পানীয়

ওটস বিটা-গ্লুকান সমৃদ্ধ। ওটস পানীয় অন্ত্রে জেলির মতো পদার্থ তৈরি করে। এটি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।   ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ওটস পানীয় অন্যান্য খাবারের তুলনায় কোলেস্টেরলকে আরো বেশি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস করে।

গ্রিন টি

গ্রিন টির ক্যাটেচিন, এপিগালোকাটেচিন গ্যালেট এবং অন্যান্য উপকারী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যৌগ রয়েছে। এগুলো খারাপ এলডিএল এবং মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

২০১৫ সালের একটি সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা ইঁদুরকে ক্যাটেচিন এবং এপিগালোকাটেচিন গ্যালেটে মিশ্রিত পানি পান করেছিলেন। খাওয়ানোর পর ৫৬ দিন অপেক্ষা করেন। এরপর দেখা যায়, উচ্চ কোলেস্টেরল আছে এমন দুটি গ্রুপে ইঁদুরের মোট এবং এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে গেছে।

কোকো পানীয়

কোকো ফ্ল্যাভানল নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। আরো রয়েছে উচ্চ মাত্রার মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি  এসিড। এগুলো উপাদান কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।  ডার্ক চকোলেটের প্রধান উপাদান কোকো। নিশ্চিত করতে হবে কোকো পানীয়তে অতিরিক্ত লবণ, চিনি এবং চর্বি না থাকে।

 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ