সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
১. পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়৷ ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিট ‘সি’ থাকে, যা কমলার তুলনায় পাঁচগুণ বেশি৷
২. পেয়ারায় আছে ভিটামিট ‘এ’ ও ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স৷
৩. আছে যথেষ্ট পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন৷
৪. সেই সঙ্গে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ফলিক এসিড ও নিকোট্রিন এসিড৷

৫. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত রাখতে পেয়ার বেশ কাজ দেয়৷
৬. রক্তসঞ্চালন ভাল রাখে ফলে হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন৷
৭. নিয়মিত পেয়ার খেলে কোলেস্টোরেলও নিয়ন্ত্রণে থাকে৷
৮. অ্যাজমা, স্কার্ভি, ওবিসিটি ইত্যাদি অসুখের ক্ষেত্রেও পেয়ারা বেশি উপকারী৷
৯. ডায়বেটিস, ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে পেয়ারা৷
১০. কমপ্লেক্স কার্বহাইড্রেট ও ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারা রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে৷
১১. পেয়ারা পাতার জুস গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যায় উপকারী৷ কারণ পেয়ারার পাতায় রয়েছে শক্তিশালী এন্টিএক্সিডেন্ট৷
১২. পেয়ারা ওজন কমাতে সাহায্য করে এবং এর জুস সর্দি কাশি উপশম করে৷
১৩. আয়রণ ও ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারা কনস্টিপেশান সারানোর জন্য উপকারী৷
১৪. বয়সের সঙ্গে জড়িত নানা রোগ যেমন অ্যালজাইমার, ছানি, রিউমেটেড, আথ্রাইটিস প্রতিরোধে পেয়ারা সাহায্য করে৷
১৫. এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানে সমৃদ্ধ পেয়ারা ডিসেনট্র্রি প্রতিরোধ করে৷
সূত্র: অনলাইন









