অর্থ ও বাণিজ্য

ডাব বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন ঝিনাইদহের ব্যবসায়ীরা

নিউজ ডেস্ক২০ নভেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

শাহারিয়ার রহমান রকি, ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের মোহাম্মদ আফান জেলা শহরের পায়রা চত্তরে ডাব বিক্রি করেন। প্রতিদিন ১০০টির বেশি ডাব বিক্রি হয় তার। প্রতিটি ডাবে লাভ থাকে ৫-১০ টাকা। ফলে দিনশেষে ৭-৮ শ টাকা পকেটে নিয়ে বাসায় ফিরেন তিনি।

 

শুধু আফান নয়, জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়, সদর হাসপাতার এলাকা, ২ নম্বর পানির ট্যাংক এলাকা, ডিসি কোর্ট এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১৫-২০ টি স্পটে বিক্রি করা হয় ডাব।

 

সাধারনত শৈলকুপা, ভাটই, জেলা সদরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে বিক্রেতরা মালিকদের কাছ থেকে প্রতিপিস ডাব কেনেন ১৪-১৫ টাকা দরে। এগুলো ভ্যানে করে জেলা শহরে এনে পরে বিক্রি করেন তারা।

 

গরমে তৃষ্ণা মেটাতে বিকল্প নেই ডাবের পানির। আবার শরীর সতেজ রাখতে মীতের সময়েও ডাবের পানি পান করেন অনেকেই। তাই দিনের বেলায় সকাল ১১ টার পর থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত একাধারে চলে ডাবের বেচা-বিক্রি।বিক্রেতারা এসময় ঢের ব্যস্ত থাকেন ডাব বিক্রির কাজে। দম ফেলার সময় থাকেনা তাদের।

 

জেলা শহরের পায়রা চত্তরেরে ডাব বিক্রেতা মোহাম্মদ আফান জানান, প্রায় ৩ বছর ধরে তিনি এখানে ডাব বিক্রি করছেন। ডাব বিক্রি করে ভাল লাভও হয় তার। আর লাভের এই টাকা দিয়েই চলে তার সংসার।

 

তিনি আরো জানান, দিনের অন্যান্য সময় বিক্রি হলেও দুপুর টাইমে ডাবের চাহিদা বেশী থাকে।এসময় আমাদের বেশী ব্যস্ত থাকতে হয়।

 

ঝিনাইদহ সিভির সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ জানান, ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। যা মানব দেহের পানি শূণ্যতা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে। শরীরের জন্যও উপকারী ডাবের পানি।

স//আর