সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
আমাদের পরিবেশ দিনে দিনে আরও দূষিত হয়ে পড়ছে, বিষাক্ত হয়ে উঠছে আমাদের নিঃশ্বাসের বায়ু। শীত আসার সাথে সাথে বায়ু দূষণের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শহরের বায়ুতে দূষণটা বেশিই হয়। এ সময়ে শুধু যে সর্দিকাশি বেশি হয় তা নয়, বরং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালেও ভর্তি হতে পারেন।
দূষিত বায়ুতে আমাদের নিঃশ্বাসের সাথে সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করছে ওজোন, নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড, ধুলো এবং ডিজেল পোড়া ধোঁয়া। এর কারণে হতে পারে গলার ভেতরটা শুকিয়ে যাওয়া, ত্বক চুলকানো, চোখ জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্ট, কাশি, নাক চুলকানো ও উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাগুলো। ফুসফুস এতোটা দূষণ সামলে উঠতে পারে না। এ কারণে কিছু খাবার খাওয়া প্রয়োজন যেগুলো ফুসফুসকে দূষণের বিরুদ্ধে শক্তিশালী করে। এর মাঝে অন্যতম একটি উপাদান হলো মধু। শুধু তাই নয়, গলা ব্যথা আর চুলকানো দূর করতেও মধু কাজে আসে।

প্রাকৃতিক ওষুধ মধুতে রয়েছে ভিটামিন সি, ডি, ই, কে এবং বি কমপ্লেক্স। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। এছাড়া এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, ফলে ফুসফুসের কোনো সমস্যায় তা কাজে আসে। বায়ু দূষণ থেকে তৈরি ফুসফুসের সমস্যা, হাঁচি-কাশি বা সর্দির মতো সমস্যায় কাজে আসে মাত্র এক টেবিল চামচ মধু। এর সাথে একটু লেবুর রস বা আদা মিশিয়ে তা কফ সিরাপের মতো পান করতে পারেন। এছাড়া আয়ুর্বেদিক একটি পানীয় তৈরিতেও মধু কাজে আসে। এই পানীয় তৈরি করতে লাগবে-
- ১ কাপ পানি
- ছোট ১ টুকরো আদা
- ৪/৫ টি তুলসি পাতা
- ১ চিমটি হলুদ
- ৫টি গোলমরিচ
- ১ চা চামচ মধু
- ১ চিমটি বিট লবণ
পানীয়টি তৈরি করার জন্য প্রথমে পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানিতে আদা, তুলসি, হলুদ ও গোলমরিচ দিয়ে দিন। এরপর পানি শুকিয়ে অর্ধেক হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে দিন। একটি কাপে ঢেলে নিন পানিটা। এতে মধু দিয়ে মিশিয়ে পান করে নিন। বুকে কফ জমে থাকলে এর সাথে বিট লবণ যোগ করে নিতে পারেন।









