বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

অননেট-অফনেট রাখতেই জিপির প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক২৯ জুন ২০১৮২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

সরকারের অভিন্ন কলরেটের সিদ্ধান্তের বিপরীতে অননেট এবং অফনেটের বিদ্যমান কাঠামো ধরে রেখেই অননেটে মিনিট প্রতি কলরেট সর্বনিন্ম ৩০ পয়সা ও অফনেটে তা ৫০ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে গ্রামীণফোন।

গত মঙ্গলবার সরকারের কাছে এই প্রস্তাব দিয়েছে গ্রাহক সংখ্যায় দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটরটি, যা তাদের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী অপারেটর রবি ও বাংলালিংকের বিপরীতমুখী।

এর আগে অফনেট এবং অননেটের আলাদা রেট তুলে দিতে দেশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অপারেটর অভিন্ন কলরেটের প্রস্তাব করেছে সরকারের কাছে। তারা বলছেন, মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি চালু হওয়ার আগেই এটি তুলে দিতে হবে। না হলে গ্রাহকের বিল নিয়ে নানা সমস্যা দেখে দেবে।

তার প্রেক্ষিতেই যে অপারেটরেই কল যাক না কেনো গ্রাহকের খরচ যাতে একই রকম হয় তার জন্যে নতুন ‘ট্যারিফ প্ল্যান’ তৈরির কাজ করছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন।

বর্তমানে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে কল গেলেই তার জন্যে গ্রাহককে বেশি রেট গুনতে হয়।

দেশে আগামী আগস্ট মাস থেকে মোবাইল নাম্বার পোর্টাবিলিটি (এমএনপি) সেবা চালু হওয়ার কথা। এমএনপি চালু হলে তখন আর মোবাইল নম্বর দেখেই বোঝা যাবে না যে, যাকে কল করা হচ্ছে সে কোন অপারেটরের সেবা ব্যবহার করছে।

ফলে এই সেবা চালু হওয়ার আগেই অভিন্ন রেট চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার এবং কমিশন।

বলা হচ্ছে, এখন অপারেটর ভেদে ভিন্ন ভিন্ন কল রেট হওয়ায় এই ট্যারিফ প্ল্যান মেনে এমএনপি সেবা চালু হলে গ্রাহকের খরচ অনেক বেড়ে যাবে।

mobile phone network_techshohor

বর্তমানে একই অপারেটরের ভেতরে কল করার ক্ষেত্রে বিটিআরসির সর্বনিন্ম রেট মিনিটে ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা থাকলেও অপারেটরগুলো ৪০ পয়সার মতো চার্জ করে। আর অন্য অপারেটরের কল করার রেট সর্বনিন্ম ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা আছে। সেখানে অপারেটররা গড়ে চার্জ করে এক টাকার মতো।

তবে গ্রামীণফোন বলছে, সর্বনিন্ম কল রেট বাড়লেই বরং তাতে গ্রাহকের পকেটের ওপর বেশি চাপ পড়বে এবং তাতে করে দীর্ঘমেয়াদে সরকার এবং অপারেটরদেরই লোকসান হবে।

আর সে কারণেই তারা ৩০ এবং ৫০ পয়সার প্রস্তাব করেছেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন, গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসাইন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তাদের বিবেচনায় অভিন্ন রেট হলে বরং গোটা সেক্টরের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।