সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যম, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ডিবিএল গ্রুপসহ একাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ ভুল, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)
সংগঠনটির মতে, এ ধরনের সংবাদ সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

বিজিএমইএ জানিয়েছে, তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট থাকা সত্ত্বেও সরকারের সহযোগিতায় সদস্যভুক্ত কারখানাগুলো উৎপাদন সচল রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ কারখানায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
সংগঠনটি আরো জানায়, আগামী ৫ আগস্টের সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে অনেক কারখানা বৃহস্পতিবার ছুটি দিচ্ছে। পরবর্তীতে শ্রম আইন ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী এই কর্মঘণ্টা সমন্বয় করা হবে।
শিল্প খাতে গ্যাস সংকটের সময়ে এ ধরনের সমন্বয় একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
বিজিএমইএর নেতারা বলেন, যথাযথ যাচাই ছাড়া কারখানা বন্ধের মতো স্পর্শকাতর সংবাদ প্রকাশ হলে দেশি-বিদেশি ক্রেতা, ব্র্যান্ড ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের মধ্যে অযাচিত উদ্বেগ তৈরি হয়। এতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অর্জিত সুনাম ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তাদের মতে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য পুরো শিল্প খাতের পাশাপাশি এর ওপর নির্ভরশীল লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থানকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
বিজিএমইএ বলেছে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। তাই শিল্পের স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত তথ্য প্রকাশে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।









