জাতীয়

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহারের তথ্য নেই মন্ত্রণালয়ে

নিউজ ডেস্ক৩ জুন ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ সরকার প্রত্যাহার করেছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ দাবি করা হয়।

তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ দাবি নাকচ করে দিয়েছে। আজ বুধবার ঘোষিত বিদ্যুতের নতুন মূল্যহারেও মিটার চার্জ (ডিমান্ড চার্জ)-এর উল্লেখ আছে।
বিএনপি মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে বিকেল সাড়ে ৩টায় দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘বিএনপি সরকারের ১০০ দিন—জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বিইআরসিতে যোগাযোগ করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গিয়েও (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত) প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যদিও এর আগে সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী মিটার চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ২৯ মার্চ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, ‘বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

’
এদিকে আজ বুধবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। যা জুন থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নতুন ঘোষণার কোথাও প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের কথা বলা হয়নি।

খুচরা বিদ্যুৎ মূলহারের নতুন তালিকায়ও ডিমান্ড চার্জের হার উল্লেখ আছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এই চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।