সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
হামের টিকা ও ভিটামিন-এ দেওয়ায় অবহেলায় দেশে চার শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সরকার নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের।
বুধবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্র সমাবেশ ও ১৩তম কাউন্সিলে নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি অনুষ্ঠানে এ অভিযোগ তোলা হয়।

সমাবেশ শেষে শিক্ষার বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন, লাল পতাকা নিয়ে একটি সুসজ্জিত মিছিল প্রেস ক্লাব থেকে শুরু করে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জন্মলগ্ন থেকেই সর্বজনীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, সেক্যুলার, বৈষম্যহীন ও একই ধারার শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করে আসছে। সংগঠনটি শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সংগ্রাম করছে। বারবার শাসকের পরিবর্তন ঘটলেও শিক্ষাব্যবস্থার বৈষম্য কমছে না, বরং শিক্ষার সংকট জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।
বক্তারা বলেন, বিগত সরকারগুলো শিক্ষাখাতে বরাদ্দ না বাড়িয়ে বরং বেসরকারি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। উচ্চশিক্ষা সংকোচনের অংশ হিসেবে ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আসন কমানো হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আন্দোলন করছে। কিন্তু একটি চিহ্নিত মৌলবাদী ছাত্র সংগঠন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানার ব্যবহার করে তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করে ক্যাম্পাসে বিরাজনীতির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
এসময় বিরাজনীতির বিরুদ্ধে আদর্শবাদী ছাত্ররাজনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা দাবি জানিয়ে বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তিন দিন আগে আমেরিকার সঙ্গে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকা অসম, বৈষম্যমূলক, দাসত্বের চুক্তি বাতিল করতে হবে।
ঢাকা মহানগর সভাপতি অনিক কুমার দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ঢাকা মহানগরের ইনচার্জ কমরেড নিখিল দাস, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রিনা মূর্মু।
সমাবেশ শেষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা রায়হান উদ্দিন ১৩তম কাউন্সিলে নির্বাচিত সভাপতি অনিক কুমার দাস, সহসভাপতি ইয়াসির আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক দিপ হালদারসহ ১৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।









