সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর তাদের বললেন, তারা জান্নাতে যেখানে ইচ্ছা অবস্থান করতে পারবে এবং জান্নাতের সবকিছূ থেকে উপকৃত হতে পারবে। তবে একটি নির্দিষ্ট বৃক্ষ ছাড়া। তারা এই বৃক্ষের ফল আহার করতে পারবে না। এমনকি সেই বৃক্ষের কাছেও ঘেঁষবে না।
কিন্তু শয়তানের কুমন্ত্রণায় তারা সেই নিষিদ্ধ ফল খেয়ে ফেলেন। ফলে আল্লাহ তাদের পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন। পৃথিবীতে এসে তারা তাঁদের কৃত ভুলের কথা স্মরণ করে আল্লাহর দরবারে রোনাজারি করতে থাকেন। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের ক্ষমা- প্রার্থনার একমহা দোয়া শিখিয়ে দেন।

দোয়াটি হলো-
رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ.
উচ্চারণ : রাব্বানা জলামনা আনফুসানা ওয়া ইললাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকু-নান্না মিনাল খাসিরিন।
অর্থ : হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা নিজেদের প্রতি অবিচার করে ফেলেছি, যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২৩)
এভাবে আল্লাহ তাআলা পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও তাঁর প্রিয় বান্দা আদম (আ.)-কে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দেন, যা মানবজাতির জন্য হয়ে ওঠে তওবা ও ফিরে আসার শ্রেষ্ঠ ভাষা। এই দোয়া শুধু শব্দের সমষ্টি নয়; এটি লজ্জা, অনুতাপ, বিনয় এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি পূর্ণ আস্থার এক অন্যন্য উদাহরণ।









