সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
তার শৈশব ও কৈশোর কাটেছে পাবনার মহাকালী পাঠশালা (বর্তমান টাউন গার্লস হাই স্কুল) এবং স্থানীয় পাবনা বালিকা বিদ্যালয়ে। বাবা করণময় দাশগুপ্ত পাবনা মিউনিসিপ্যালিটির স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ছিলেন, মা ইন্দিরা দাশগুপ্ত গৃহিনী।

শৈশব থেকেই গান, নাটক এবং অভিনয়ের প্রতি তার আকর্ষণ স্পষ্ট ছিল। পাবনার নানা অনুষ্ঠানে গান ও নাটকে অংশগ্রহণ করে তিনি নিজের প্রতিভা দেখিয়েছিলেন।
পরিবারের বধু হয়ে ঘর সংসারের পাশাপাশি অভিনয়ে যোগদান করেন সুচিত্রা।
১৯৫৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ৩৫ বছর ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি প্রধান নায়িকা ছিলেন।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিও অর্জন করেছেন সুচিত্রা। ১৯৬৩ সালে ‘সাত পাকে বাঁধা’ সিনেমার জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সিলভার প্রাইজ জিতেছেন।
২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মান বঙ্গবিভূষণ দেওয়া হয়। ১৯৫৫ সালে তিনি ‘দেবদাস’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি সিনেমা।
সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, পাবনার সাধারণ সম্পাদক ড. নরেশ চন্দ্র মধু গণমাধ্যমে বলেন, ‘মহানায়িকার জন্মদিনে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে কেক কাটাসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ ছাড়া পাবনার আরও কয়েকটি সংগঠন কেক কাটাসহ নানা কর্মসুচি হাতে নেওয়া হয়েছে।’









