অর্থ ও বাণিজ্য

সাগরের ইলিশে সয়লাব মোকাম

নিউজ ডেস্ক৬ সেপ্টেম্বর ২০২০২ মিনিট পড়া

ইলিশে সয়লাব বরিশালের পোর্ট রোডের মোকাম। সাগরের ইলিশে প্রতিদিন মোকামে আসছে তিন থেকে চার হাজার মণ। গত দুইদিন ধরে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ইলিশের দামও কমেছে। তার পরেও জালে প্রচুর মাছ আসায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা খুশি। যদিও খুচরা পর্যায়ে কম দামে ইলিশ পাচ্ছেন না ক্রেতারা। নদীর কিছু ইলিশ থাকলেও পরিমাণে কম, দাম বেশি।

আড়তদাররা বলছেন, ভরা মৌসুম হওয়ায় ইলিশের আমদানি বেড়েছে। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর বাকি ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। তাই কম দামে ইলিশ বিক্রি করতে হচ্ছে। লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে অন্তত ভরা মৌসুমে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন জেলে ও আড়তদাররা। তবে ইলিশ রপ্তানি সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় বলে জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান। শ্রাবণ-ভাদ্র-আশ্বিন এই তিন মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। এবার ভরা মৌসুমের শুরুতে নদী-সাগরে ছিল ইলিশের আকাল। মৌসুম শুরুর দেড় মাস পর মধ্য ভাদ্র থেকে নদ-নদী আর সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করে।

এক সপ্তাহ ধরে তিন থেকে চার হাজার মণ ইলিশ আসছে মোকামে। সব শেষ গতকালও প্রায় চার হাজার মণ ইলিশ এসেছে মোকামে। এর মধ্যে নদীর ইলিশ অল্প, সাগরের বেশি। স্থানীয় চাহিদা মোটানোর পরও উদ্বৃত্ত থাকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই বরিশালে। এ কারণে দরপতন হয়েছে ইলিশের। আড়তদার মো. জহির সিকদার জানান, গতকাল মোকামে অন্তত চার হাজার মণ ইলিশ এসেছে, যার বেশির ভাগই সাগরের। স্থানীয় বাজারে বিক্রির পরও অবশিষ্ট ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ আসায় দরপতন হয়েছে।

আড়তদার মো. নাসির উদ্দিন জানান, গতকাল দেড় কেজি সাইজের প্রতি মণ ইলিশ ৩৬ হাজার, ১ কেজি ২০০ গ্রাম সাইজের প্রতি মণ ৩০ হাজার, এক কেজি সাইজের প্রতি মণ ২৭ হাজার, রপ্তানিযোগ্য এলসি সাইজ (৬০০ থেকে ৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ২০ হাজার, ভেলকা (৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম) প্রতি মণ ১৫ হাজার এবং গোটলা সাইজ ইলিশ প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার টাকা মণ দরে। সাম্প্রতিক সময়ে এত কম দামে ইলিশ বিক্রি হয়নি বলে জানান আড়তদার মো. নাসিরউদ্দিন। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন