লাইফ স্টাইল

সকালের নাস্তায় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখুন

নিউজ ডেস্ক১০ জানুয়ারি ২০২১২ মিনিট পড়া

অনেকেই সকালের নাস্তা করেন না বা তড়িঘড়ি করে খুব কম খান।কিন্তু সারাদিন আপনার শরীরকে কর্মক্ষম রাখার জন্য সকালের নাস্তা খুব জরুরী। সকালে পুষ্টিকর খাবার খেলে তা একদিকে যেমন  পরিপাক ক্রিয়া সচল রাখে তেমনি ঘন ঘন ক্ষুধা না পাওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু সকালের নাস্তা বাদ দিলে শরীরে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা।  এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কি করবেন দেখে নিন।

নাস্তা বাদ দিবেন না:

সারারাত পেট খালি থাকে এরপর যদি সকালেও কিছু না খাওয়া হয় তবে শরীরে তৈরি হয় জটিল সমস্যা। তাই প্রতিদিনের জীবনযাপনে সকালের খাবারকে গুরুত্ব দিন। দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় সকালে বেশি খাবার খান।

এক গ্লাস পানি পান করুন:

রোজ সকালে খালি পেটে এক গ্লাস লেবু পানি পান করুন। এটি পরিপাকক্রিয়ার জন্য খুবই ভালো। লেবুর রসে থাকা ভিটামিন সি আপনার শরীর থেকে টক্সিস বের করে দেবে।

ঘুম থেকে ওঠার একঘণ্টার মধ্যে খাবার খান:

সকালের খাবার সারাদিন ব্লাড সুগার লেভেল স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর দ্রুত খাবার খেয়ে নিন।

দ্রুত এবং সহজে তৈরি খাবার খান:

অনেকেই সকালের খাবারে অভ্যস্ত না বা, সকালে কিছু খেতে পারেন না। অনেকের সকালের নাস্তা বানানোর সময় নেই। এমন হলে খুব সহজ কিছু খাবার খাওয়া করা যেতে পারে। যেমন, ফলের সঙ্গে দই, বাদাম ও বীজ, ওটস অথবা আপনার পছন্দের যেকোন স্বাস্থ্যকর খাবার। সকালে একেবারে খাওয়ার অভ্যাস না থাকলে আপনি এইভাবে শুরু করতে পারেন।

দিনের শুরুতেই স্বাস্থ্যকর খাবার:

সকালে খালিপেটে প্যাকেটজাত খাবার পরিহার করুন। সকালবেলায় স্বাস্থ্যকর এবং প্রয়োজনীয় খাবারগুলো হতে পারে গমজাতীয় খাবার, প্রোটিন, কম চর্বিযুক্ত দুধ, ফল, শাকসবজি ইত্যাদি।

খাবারে রাখুন প্রোটিন:

প্রোটিন হজম হতে সময় বেশি লাগে। তাই আপনি সকাল আর দুপুরের মাঝামাঝিতে হালকা কিছু খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব নাও করতে পারেন। ডিম, পনির, চর্বিছাড়া মাছ-মাংস এবং বাদাম হতে পারে উপকারী প্রোটিনের অন্যতম উৎস।

খাবারে আনুন বৈচিত্র:

সকালের খাবারে প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না খাওয়ার চেষ্টা করুন। কিছুদিন পর পর রান্নার পদে ভিন্নতা আনুন। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার একদিকে যেমন ওজন কমাতে বাঁধা সৃষ্টি করে, অন্যদিকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যারও কারণ হতে পারে। সব ধরনের পুষ্টি পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কয়েক ধরনের খাবার খেতে হবে।

 

সুত্রঃ কালের কণ্ঠ