সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
শীতের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় স্বাস্থ্যে সঙ্গে ত্বকের সমস্যাও সাধারণ। ঠাণ্ডার দিনগুলোতে একটু অযত্নেই আপনার ত্বক নিস্তেজ ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই মৌসুমে আরো একটি সমস্যা দেখা যায়। সেটা হলো ত্বকের রঙ কালো, ট্যানড ও ফেকাসে হয়ে যাওয়া।
এর প্রধান কারণ হলো, বেশিক্ষণ রোদে বসে থাকা, ভিটামিন ডি-এর অভাব অথবা ঠাণ্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া।
এই সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এটি শুধু ত্বকের রংই বদলায় না, আপনার আত্মবিশ্বাসও নষ্ট করে দেয়। ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব শরীরের সঙ্গে ত্বকের জন্যও নানা সমস্যা ডেকে আনে।

তাই আর দেরি না করে শুরু করুন ত্বকের পরিচর্চা। এজন্য প্রয়োজন নেই দামি ক্রিম বা পার্লারে যাওয়া। বাড়িতে বসেই এই সমস্যা মেটাতে পারবেন।
তবে অনেক মানুষের আবার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার জন্য ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা লোশন লাগালে তা মুখকে আরো কালো করে তোলে।
শীতের দিন এই সমস্যা কেন হয়, তা জানুন আজকের প্রতিবেদনে।
শীতে মুখ কালো হওয়ার কারণ
সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব
ভিটামিন ডি এর অভাব
সঠিক স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট বেছে না নেওয়া
ঠাণ্ডা ও শুষ্ক বাতাস
শীতে গায়ের রং পরিষ্কার রাখার উপায়
শীত হলেও এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি যুক্ত সানস্ক্রিন প্রতিদিন লাগাতে হবে। এতে ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা পায়।
ভিটামিন সি ও ই যুক্ত পণ্যগুলি উজ্জ্বল ত্বকে সাহায্য করে। এগুলো ত্বকের টোনকে সমান ও উজ্জ্বল রাখে।
নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যাতে ত্বক সঠিক পরিমাণে আর্দ্রতা পায়। এতে ত্বক শুষ্ক হবে না।
শীতে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া প্রতিকার
মুলতানি মাটি: গায়ের রং উন্নত করতে মুলতানি মাটির বিকল্প নেই। এটি মুখের অতিরিক্ত ময়লা দূর করে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্যগুলো আপনার ত্বককে দারুণভাবে উপকৃত করে। মুলতানি মাটিতে লেবুর রস ও কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। এটি আপনার গায়ের রং পরিষ্কার করবে।
মধু: ত্বকের যত্ন বা ফেসপ্যাক লাগানোর জন্য বেশি সময় না থাকলে মধু ব্যবহার করতে পারেন। মধু আপনার ত্বককে ভেতর থেকে ময়শ্চারাইজ করতে এবং এটিকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে। এটি আপনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
টমেটোর রস: টমেটোর রস মুখের উজ্জ্বলতা ও বর্ণ উভয়ই উন্নত করে। এতে মুখের শুষ্কতাও দূর হবে। একটি টমেটোর রস নিয়ে তুলোর সাহায্যে পুরো মুখে লাগাতে পারেন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন, তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









