সব খবর

লোডশেডিং থামেনি রাজশাহীতে, পাওয়া যায়নি নির্বাচনী বিদ্যুৎ

নিউজ ডেস্ক১৯ জুন ২০২৩৩ মিনিট পড়া


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছিল নির্বাচন শেষে সেই বিদ্যুৎ ফেরতও নেওয়া হয়েছে। ফলে খুলনায় সেই আগের মতোই লোডশেডিং চলছে এখন।। এরই মধ্যে সিলেট সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে সেখানেও ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত বেশি দেওয়া হয়েছে। তবে রাজশাহী সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ নগরীর বিদ্যুতের তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। রাজশাহী নগরবাসীর অনেকেই বলছেন, নির্বাচনী বিদ্যুতের প্রয়োজন নাই। এক এলাকাকে বঞ্চিত করে আরেক এলাকায় বেশি বিদ্যুতের কোনো মানে হয় না। রাজশাহী নগরবাসীর যেটুকু প্রাপ্য সেটুকু দিলেই হবে। তাতে ভোটের মাঠে কোনো হের-ফের হবে না। সেটি বুঝেই হয়তো এখানে বেশি বিদ্যুৎ দেওয়া হয়নি।

বরং তীব্র গরমের সময় বেড়েছে লোডশেডিং। তবে গতকাল বিকেলে শহরে স্বস্তির বৃষ্টির পরে লোডশেডিং ছিল না কোথাও। কিন্তু বৃিষ্টর আগ পর্যন্ত নগরীর সব এলাকাতেই থেমে লোডশেডিং ছিল। গত শুক্রবার বিকেল ৬ টা থেকে গতকাল রবিবার বিকেল ছয়টা পর্যন্ত ৪৮ ঘন্টায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় ৭-৮ বার পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। এমনকি নগর ভবন এলাকায় গতকাল বেলা ১২ থেকে দুপুর সাড়ে তিনটা পর্যন্ত বিদ্যুতের দেখা ছিল না।

নগরীর তেরোখাদিয়া এলাকার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শুক্রবার বিকেল থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত অন্তত ছয়বার বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়েছে। আবার শনিবার সন্ধ্যা রবিবার সন্ধ্যা আরও ২-৩ বার বিদ্যুৎ গেছে। একবার লোডশেডিং হলে ২০ মিনিট থেকে দেড়-দুই ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। কখনো তার বেশিও থাকছে না। রাজশাহী সিটি নির্বাচনের সময় অন্তত লোডশেডিং হবে না বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্ত কোনো উন্নতি হয়নি। বরং এ সময়ে গরম বৃদ্ধি পাওয়ায় লোডশেডিংও বেড়েছে। তবে আমরা কোনো এলাকাকে বঞ্চিত করে অতিরিক্তি বিদ্যুৎ চাই না। আমাদের যা প্রাপ্য সেটি দিলেই হবে। এখানে বিদ্যুৎ থাকলেও মেয়র লিটন পাশ করবে, না থাকলেও পাশ করবে।’

নগরীর সাহেব বাজার এলাকার ব্যবসায়ী ইমরান আলী বলেন, বিদ্যুতের যাওয়া আসা বেড়েছে। গরমে লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানে ঠিকমতে বসে থাকাও যায় না। রবিবার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুতের যাওয়া-আসা ছিল। তবে বিকেলে বৃষ্টির পর লোডশেডিং ছিল না।

নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা নাসিমুল গনি বলেন, ‘গরম আর রোদের কারণে দিনে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে, তখন বিদ্যুৎ আসে আর যায়। আবার রাতেও ঠিকমতো পাওয়া যায় না। প্রচÐ গরমে গত কয়েকদিন ধরে খুব কষ্টে গেছে। কিন্তু বিকালে রবিবার বৃষ্টির পরে বিদ্যুত আর যায়নি।’

এদিকে নর্দান পাওয়ার সাপ্লাই কম্পানী লিমিটেডের (নেসকে) তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখানে বিদ্যুতের তেমন কোনো হের ফের হয়নি। আমরা একস্ট্রা কোন বিদ্যুৎ পাইনি। ফলে বেশি গরমের সময় চাহিদা বাড়লে লোডশেডিং হয়। রাজশাহীতে প্রতিদিন ১১৫-১২০ মেগাওযাট চাহিদার বিপরীতে গড়ে ১০০ মেগাওয়াট বা তার চেয়ে কিছু কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। গরম খুব বেশি হলে অনুরোধ করে কখনো সামান্য কিছু বাড়িয়ে নেয়া হচ্ছে।

স/আর

 

ট্যাগ: