জাতীয়

রাঙ্গাবালীতে ঘের দখল নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭

নিউজ ডেস্ক২১ এপ্রিল ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মাছের ঘেরের লিজ ও দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া চরে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত চারজনকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাঙ্গাবালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মু. সাইদুজ্জামান মামুন খানের বাবা আলম খান ওই ঘেরটি ভোগদখলে রেখেছিলেন।

গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয় একটি পক্ষ জমির মালিকানা দাবি করে ঘেরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।
প্রায় দুই মাস আগে আলম খান ঘেরটি এক বছরের জন্য সদর ইউনিয়নের কাজীর হাওলা গ্রামের রত্তন হাওলাদারসহ চারজনের কাছে লিজ দেন। গত ১৯ এপ্রিল লিজগ্রহীতারা রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়িয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঘের দখলে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে তারা ঘেরের দখল নিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।

সংঘর্ষে জমির মালিকানা দাবি করা পক্ষের আহত হয়েছেন শাহ জামাল (৪৫), শেফালী বেগম (৩০), রাজ্জাক শিকদার (৬৫), রহিম খান (৫৫) ও ওহাব মাতুব্বর (৫০) আহত হন। অন্যদিকে লিজগ্রহীতা পক্ষের রত্তন হাওলাদার (৫৫) ও মোখলেছুর রহমান (৪৫)।

আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও শাহ জামাল, শেফালী বেগম, রাজ্জাক শিকদার ও রহিম খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জমির মালিকানা দাবি করা পক্ষের ওহাব মাতুব্বর অভিযোগ করেন, ঘেরটির বেশিরভাগ জমির মালিকরা দীর্ঘদিন বঞ্চিত ছিলেন।

তারা নিজেদের জমি বুঝে নেওয়ার পর একদল লোক হামলা চালিয়ে ঘের দখলের চেষ্টা করেছে।
তবে লিজগ্রহীতা রত্তন হাওলাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা বৈধভাবে আড়াই লাখ টাকায় ঘেরটি লিজ নিয়েছেন এবং সেখানে মাছ চাষ করেছেন। প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে গেছে।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।

অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।