সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
তিন দশকের অভিনয়জীবনের দীর্ঘযাত্রায় প্রথমবারের মতো জাতীয় পুরস্কার পেলেন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। অ্যাটলি পরিচালিত ‘জওয়ান’ সিনেমায় সেরা অভিনেতার সম্মান জিতে নিয়েছেন তিনি। এ অর্জনে উচ্ছ্বসিত ভক্ত-অনুরাগীরা। শুধু তা-ই নয়, পরিবারের সদস্যরাও আনন্দিত।
সদ্যই রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার নিয়েছেন এ সুপারস্টার।

ক্যারিয়ারের খাতায় পুরোটাই প্রাপ্তিতে ভরা শাহরুখের। কোথাও কোনো অপ্রাপ্তি নেই। কাজে, সংসারে, ব্যক্তিগত জীবনে।
কিন্তু একটা অপ্রাপ্তি ঠিকই ছিল। এই যে অভিনয়ে বিশাল ক্যারিয়ার, এর জন্য নেই কোনো জাতীয় স্বীকৃতি। বেসরকারি এবং আন্তর্জতাকিভাবে বহু পুরস্কারে ভূষিত হলেও খোদ ভারত সরকার বরাবরই তাকে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেছে যেন। কপালে জোটেনি কখনো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
অবশেষে ৩৩ বছর পর সে খরাও কাটল। অনেকেই বলছিলেন, আসলে এ ৩৩ বছর শাহরুখ জাতীয় পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হননি, বরং জাতীয় পুরস্কারের ট্রপিটাই বঞ্চিত হয়েছে শাহরুখের হাতের স্পর্শ থেকে। সেই কথাটা জোর দিয়ে বলেছেন বলিউপের প্রবীণ অভিনেতা ও নির্মাতা অনুপম খের।
অনুপম খেরের মতে, ক্যারিয়ারের শুরুতেই তার শাহরুখের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। বলিউডের তিন দশকেরও বেশি সময় পথচলা এ অভিনেতা ইন্ডাস্ট্রিকে অনেক দুর্দান্ত সিনেমা উপহার দিয়েছেন।
তাকে যে সিনেমার জন্য এত বছর পর পুরস্কার দেওয়া হলো, তার চেয়েও কিন্তু অনেক ভালো ও দারুণ সিনেমা ছিল শাহরুখের। অথচ সেগুলো থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমকে অনুপম খের বলেন, “আমি সত্যিই ওর জন্য ভীষণ খুশি। অবশেষে ৩৩ বছর পর এ পুরস্কারে সম্মানিত হল শাহরুখ। তবে আমার মনে হয়, ২০০৬ সালেই ‘স্বদেশ’ সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল শাহরুখ খানের।” তিনি আরও বলেন, ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, দেবদাস, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, বীরজারা, পহেলি-এমন অনেক সিনেমা রয়েছে যার জন্য শাহরুখকে জাতীয় পুরস্কারের সম্মানিত করা উচিত ছিল এবং তা একাধিকবার। যদিও তা হয়নি। তবে আমি খুব খুশি, অবশেষে পুরস্কারটা পেয়েছে।’









