সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

ভালো আছি। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে অনেক। পিজি হাসপাতালে মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ নিয়ে কোর্স করছি। বেসরকারি কোনো হাসপাতাল হলে ৯ বা ১০ মাসে কোর্সটা শেষ করতে পারতাম।
বেশ কয়েকটি গান তৈরি হয়ে আছে। এই ভাবি প্রকাশ করব, অমনি কোনো না কোনো ইস্যু তৈরি হয়ে যায় দেশে। মানুষ গান শোনার পরিস্থিতিতে থাকে না। একটা জিনিস খেয়াল করেছেন কি না! দেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে ১০টা-৫টা অফিস কিন্তু ঠিকই থাকে। বাজার বসে, দোকান খোলে। শুধু সংস্কৃতি অঙ্গনে দেখা দেয় বিপত্তি। আপনি কোনো দুঃসময়ে গান, নাটক বা সিনেমা মুক্তি দেন, মানুষ বলবে দেশের এই অবস্থায় দেখো, ওদের কত আনন্দ! কোনো চিন্তা নেই। আরে বাবা! শিল্পীদের পেশাই তো গান করা। সে গান না করলে জীবিকা অর্জন করবে কিভাবে? জীবন ধারণ করবে কিভাবে?
কনসার্ট করছেন?
জুন-জুলাই-আগস্ট এই তিন মাসে কনসার্ট কম হয়। তবে বছরের শুরুর দিকে আমি অনেকগুলো কনসার্ট করেছি। মে মাসে মাগুরা, কুষ্টিয়াসহ বেশ কয়েক জায়গার কনসার্টে দারুণ সাড়া পেয়েছিলাম। রিলসে গেলে দেখতে পাবেন মানুষ কিভাবে শেয়ার করেছে। কোরবানির ঈদে ঝিনাইদহ ও সিরাজগঞ্জের কনসার্টগুলোও বেশ জমেছিল। এই বছরের শুরুর দিকে সৌদি আরবে শো করেছি, এরপর যুক্তরাজ্যেও গিয়েছি। সব মিলিয়ে কনসার্টের কথা চিন্তা করলে বছরটা ভালোই যাচ্ছে।
এর মধ্যে আর দেশের বাইরে যাবেন?
ইউরোপ ট্যুরের কথা চলছে। ব্যাটে-বলে মিললে হয়তো চূড়ান্ত করব। তা ছাড়া কোর্সটাও তো শেষ করতে হবে।
লোকগান নিয়ে কিছু করছেন?
অবশ্যই। যখনই সুযোগ পাই লোকগান পরিবেশন করি। এবার তো নতুন উদ্যোগ নিলাম। আমার ইউটিউব চ্যানেল ঐশী এক্সপ্রেস থেকে ‘ফোক প্রজেক্ট’ নামে একটা সিজন করতে যাচ্ছি। প্রথম সিজনে ছয়টা গান থাকবে। আগামী সপ্তাহেই গানগুলোর শুটিং। সব ঠিক থাকলে দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রজেক্টের প্রথম গান আসবে।
আপনাকে প্লেব্যাকে পাওয়া যাচ্ছে না কেন?
সবশেষে রায়হান রাফীর ‘আমলনামা’য় গান করেছিলাম। যদিও ওটা ওয়েব ছবি ছিল। এরপর অন্তত ১৫টা গানের প্রস্তাব পেয়েছি। তবে করতে পারিনি। সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছি। গানের কথার যে অবস্থা, সুরের মান—সব মিলিয়ে নিজেকে দূরে রেখেছি। এখন টিকটক, রিলস—এসবের কথা ভেবে গীতিকাররা গান লিখছেন। ফলে মান হারিয়ে ফেলছেন। অযথা ভিউয়ের পিছে দৌড়াচ্ছেন সবাই। আমি এই দৌড়ের মাঝ থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছি।









