রাজশাহী

বিরল রোগে আক্রান্ত বর্ণালী রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে

নিউজ ডেস্ক৭ নভেম্বর ২০১৭২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিরল রোগে আক্রান্ত স্বর্ণালীকে রাজশাহী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে রাজশাহীর সিভিল সার্জন সঞ্জিত কুমার সাহা তাকে ডাকা হয়েছে। স্বর্ণালীর বাবা আবদুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চত করে করে তিনি বলেন, আজ সম্ভবত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হতে পারে।

 

জানা গেছে, একটি হাত প্রতি নিয়ত ফুলতে থাকায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ১২ বছরের স্বর্ণালীর জীবন যাপন। স্বর্ণালী পবা উপজেলার টেগাটাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। সে স্থানীয় নোনামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

স্বর্ণালীর মা রুমা বেগম জানান, জন্মের পর তার ডান হাতে একটি কালো দাগ দেখা যায়। সেটাই দিন দিন বড় হচ্ছে। চার-পাঁচ বছর বয়সে এটি বেড়ে যায়। ওই সময় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ মোয়াজ্জেম হোসেন ও রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আফরোজা নাজনীনকে দেখিয়েছি। তারা সে সময় একটি মলম দিয়েছিলেন। এতে কাজ হয়নি। এরপর লোকমুখে এ রোগের চিকিৎসা নেই শুনে আর কোনও চিকিৎসককে দেখানো হয়নি।

স্বর্ণালী জানায়, সে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়। লেখাপড়া শিখতে চাই। স্কুলে গেলে কেউ তার পাশে বসতে চায় না। তাকে দেখে সহপাঠীরা হাসাহাসি করে। এ কারণে সে প্রায়ই স্কুলে যায় না। শিক্ষকরা কিছু না বললেও ক্লাসে তার ভালো লাগে না। স্বর্ণালীর বাবা আবদুল মান্নান দুর্গাপুর দাওকান্দি কলেজের এমএলএসএস হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বলেন,‘তার কলেজের একজন শিক্ষক পত্রপত্রিকায় সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামণির রোগ ও চিকিৎসার খবর দেখে তাকে জানিয়েছেন চিকিৎসা করলে স্বর্ণালীর হাতও ভালো হতে পারে। কিন্তু মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর মতো সামর্থ্য তার নেই।

 

স/আ