জাতীয়

বিতর্কে বিপাকে কৃষক কবির, মোবাইল বন্ধ রেখে কাটছে দিন

নিউজ ডেস্ক২৪ এপ্রিল ২০২৬৬ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তার কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন কবির হোসেন। এরপর কবির হোসেনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে তিনি প্রকৃত কৃষক কি না।

প্রতিদিন অনেক লোক তার বাড়িতে গিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রেখেই দিন কাটছে ওই কৃষকের।
তার বাড়ি সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামে। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তার কার্ড নেওয়ার ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অনেকে দাবি করেন, তিনি কৃষক নন এবং তিনি ধনী ব্যক্তি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় কৃষি অধিদপ্তরসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা কবির হোসেনের বাড়ি পরিদর্শন করেন।
দেখা যায়, কবির হোসেন তার বাড়ির উঠানে ঘরের সামনে ডাটা ও পাট শাকের চাষ করেছেন। গোয়াল ঘরে বাঁধা তিনটি গরু।

অনেকেই বলেন কবির অন্যের জমি বর্গাচাষ করেন এবং তার নিজস্ব জমিও রয়েছে, তাই তিনি কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য।
কৃষি কাজই কবিরের মূল পেশা। তাকে নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের মৃত আবু সাইদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনের নিজস্ব জমি রয়েছে ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করে আসছেন।

স্থানীয়রা জানান, কবির ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষা দেন। তবে অকৃতকার্য হয়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে চলে যান। প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন। নিজে একটি সেচ মেশিন কিনেছেন, যার মাধ্যমে নিজের জমি এবং অন্যের জমিতে সেচ দিয়ে থাকেন। কবির কৃষিকাজ করলেও তিনি নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করেন। সেখানে ছবি-ভিডিও করে প্রচার করেন। সেই সুবাদে তিনি এলাকায় পরিচিত মুখ।

কৃষক কবির হোসেন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন দাবি করেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান বলেন, ‘কবির হোসেন একজন কৃষক। সেচ মেশিন পরিচালনা করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তার দলীয় পদ-পদবি নেই।’

স্থানীয় বাসিন্দা রিফাত ইসলাম বলেন, ‘কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল কবির হোসেন কাকার যে ছবিগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো এআই দিয়ে তৈরি। আর এই ছবিগুলো দেখে অনেকেই ভাবছেন তিনি অনেক ধনী মানুষ এবং কৃষক নন। স্থানীয় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, ‘কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক। বর্তমান সময়ে তথ্য যাচাই-বাছাই না করে গুজবে কান দিয়ে সরকারের মানহানি করা হচ্ছে।

কৃষক কার্ড দেওয়ার আগে কয়েক দফা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তদন্ত করা হয়েছে। করিব হোসেন প্রকৃত কৃষক বলেই তালিকায় তার নাম রাখা হয়।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কুচক্রী মহল এমন করছে। আমি একজন কৃষক। কৃষি কাজের পাশাপাশি কন্টেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি। এটা তো অন্যায় না। তিনি আরো বলেন ভাইরাল হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন অসংখ্য সাংবাদিক, ইউটিউবার ও উৎসুক মানুষ আসেন বাড়িতে । বিরক্ত হয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ জানান, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম জানান, তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন, কবির প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

কাজল আর্য,টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তার কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন কবির হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড নেওয়ার পর টাঙ্গাইলের কবির হোসেনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে তিনি প্রকৃত কৃষক কি না। প্রতিদিন অনেক লোক তার বাড়িতে গিয়ে ভিড় জমান। তাই বাধ্য মোবাইল ফোন বন্ধ রেখেই দিন কাটছে কৃষকের।

তার বাড়ি সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া গ্রামে। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে তার কার্ড নেওয়ার ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে দাবি করেন, তিনি কৃষক নন এবং তিনি ধনী ব্যক্তি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় কৃষি অধিদপ্তরসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা কবির হোসেনের বাড়ি পরিদর্শন করেন।

দেখা যায়, কবির হোসেন তার বাড়ির উঠানে ঘরের সামনে ডাটা ও পাট শাকের চাষ করেছেন। গোয়াল ঘরে বাধা তিনটি গরু। অনেকেই বলেন কবির অন্যের জমি বর্গাচাষ করেন এবং তার নিজস্ব জমিও রয়েছে, তাই তিনি কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য।

কৃষি কাজই কবিরের মূল পেশা। তাকে নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, ওই গ্রামের মৃত আবু সাইদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনের নিজস্ব জমি রয়েছে ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করে আসছেন।

স্থানীয়রা জানান, কবির ১৯৯২ সালের এসএসসি পরীক্ষা দেন। তবে অকৃতকার্য হয়ে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে চলে যান। প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন। নিজে একটি সেচ মেশিন কিনেছেন, যার মাধ্যমে নিজের জমি এবং অন্যের জমিতে সেচ দিয়ে থাকেন। কবির কৃষিকাজ করলেও তিনি নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করেন। সেখানে ছবি-ভিডিও করে প্রচার করেন। সেই সুবাদে তিনি এলাকায় পরিচিত মুখ।

কৃষক কবির হোসেন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন দাবি করেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান বলেন, ‘কবির হোসেন একজন কৃষক। সেচ মেশিন পরিচালনা করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তার দলীয় পদ-পদবি নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা রিফাত ইসলাম বলেন, ‘কৃষক কার্ড নিয়ে ভাইরাল কবির হোসেন কাকার যে ছবিগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো এআই দিয়ে তৈরি। আর এই ছবিগুলো দেখে অনেকেই ভাবছেন তিনি অনেক ধনী মানুষ এবং কৃষক নন। স্থানীয় শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, ‘কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক। বর্তমান সময়ে তথ্য যাচাই-বাছাই না করে গুজবে কান দিয়ে সরকারের মানহানি করা হচ্ছে।

কৃষক কার্ড দেওয়ার আগে কয়েক দফা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তদন্ত করা হয়েছে। করিব হোসেন প্রকৃত কৃষক বলেই তালিকায় তার নাম রাখা হয়।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কুচক্রী মহল এমন করছে। আমি একজন কৃষক। কৃষি কাজের পাশাপাশি কন্টেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি। এটা তো অন্যায় না। তিনি আরো বলেন ভাইরাল হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন অসংখ্য সাংবাদিক, ইউটিউবার ও উৎসুক মানুষ আসেন বাড়িতে । বিরক্ত হয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ জানান, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম জানান, তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন, কবির প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।