সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
ফরিদা ম্যাডাম ছিলেন আমাদের কুষ্টিয়ার গর্ব। জন্মের পর থেকে তাঁর গান শুনেছি। একই জেলায় জন্ম হওয়ার কারণে তাঁর সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সৌভাগ্য হয়েছে। ম্যাডাম আমাদের জন্য অনেক বড় কিছু।
কুষ্টিয়ার মানুষ তাঁকে আলাদাভাবে সম্মান করে। আমি সরাসরি তাঁকে অনুসরণ না করলেও তাঁর আদর্শ খুব ভালো লাগে। ম্যাডামের সঙ্গে কখনো একমঞ্চে গান করার সুযোগ হয়নি। তবে অনেকবার দেখা হয়েছে।

অনেকে আমাকে আর বিউটি আপাকে লালনকন্যা বলেন। এটা ফরিদা ম্যাডামের কানেও গিয়েছে। একবার চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে দেখা হলে তাঁকে জড়িয়ে বললাম, ‘আমাদের লালনকন্যা বললেও আপনি মন খারাপ করবেন না। পৃথিবীতে ফরিদা পারভীন একজনই হন।
আপনিই লালনকন্যা, আমরা তো লালনের নাতি-পুতি।’
সত্যি হলো, আমার গানের ক্যারিয়ার মাত্র ঊনিশ বছরের। আর ফরিদা ম্যাডামের প্রায় সাত দশকের। কখনো তো তাঁর পর্যন্ত পৌঁছানোর চিন্তাও করতে পারি না। তা ছাড়া ফরিদা ম্যাডাম সাঁইজির গানে নিবেদিতপ্রাণ।
অন্যদিকে আমি সব ধরনের গান করি। চাইলেও তাঁর আসনে বসার সাহস করতে পারি না। এক কথায়, সাঁইজির কথা এলে প্রথমেই আসবেন ফরিদা ম্যাডাম। তা ছাড়া তাঁকে নিয়ে কথা বলার দুঃসাহস দেখানোটাও উচিত নয়। আজ তিনি আমাদের ছেড়ে না-ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন। আর কখনো তাঁর গান সরাসরি শুনতে পারব না। তবে তিনি যে গানগুলো গেয়েছেন সে গানগুলো যত দিন পৃথিবী থাকবে, তত দিন থাতবে। আমি ম্যাডামের আত্মার শান্তি কামনা করছি।









