অর্থ ও বাণিজ্য

পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

নিউজ ডেস্ক৯ মার্চ ২০২০২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্কঃ

দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন আবার নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লোকসানের পাল্লাও দিন দিন ভারী হচ্ছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে গতকাল ৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ লেনদেন দিবসের ১০ দিনই দরপতন হয়েছে। গতকাল ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৯৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৩৫ পয়েন্টে নেমেছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ৯৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক বলেন, ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ দেওয়া হলেও, সে সুফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বাজারে বিনিয়োগ করছে না। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে। ফলে বাজারে দরপতন হচ্ছে। আর এ পতনের কবলে পড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাজারে এখন যে দরপতন হচ্ছে তাকে কিছুতেই স্বাভাবিক বলা যায় না। আমাদের সন্দেহ পরিকল্পিতভাবে বাজারে দরপতন ঘটানো হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল সব কটি মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। দিনভর লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩০৪টির। ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা বেড়েছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪২৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৪১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ১৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে

ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ভিএফএস থ্রেড ডাইংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা। ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং। এ ছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছেÑ খুলনা পাওয়ার, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ওরিয়ন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন, মুন্নু জুট স্টাফলার্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ ও জিনেক্স ইনফোসিস।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩০৫ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৮ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯৬টির এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।