সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

এই তো আছি। একা মানুষ, সব কাজ তো আর করতে পারব না। তা ছাড়া আমি দুই দিন করে ব্রেক নিয়ে একেকটা কাজ করি। অনেক নির্মাতা অভিযোগ করেন, আমাকে ফোন করে পাওয়া যায় না।
খুব ভালো। ২৪ ঘণ্টায় এক মিলিয়নের বেশি ভিউ হয়েছে। যদিও আমি ভিউ দিয়ে নাটকের মূল্যায়ন করতে চাই না। ‘অনুতপ্ত’ দেখে অনেকে ম্যাসেজ দিয়েছেন। বলেছেন, চরিত্রটা ঠিকঠাক করতে পেরেছি।
সত্যি বলতে, আশানুরূপ সাড়া পাইনি। খুব ভালো একটা গল্প। জাহিদ প্রীতম ভাই তো দারুণ নির্মাতা। তবে সিরিজটা যারা দেখেছে, ভালো বলেছে। নির্মাণের প্রশংসাও করেছে।
এটা একটা ওয়েব ছবি। বন্ধুত্বের জার্নি নিয়ে গল্প। আমার চরিত্রটা বেশ রেসপনসিবল। বন্ধুত্বের মাঝে যত ঝামেলা তৈরি হয় আমিই সেগুলো মিটমাট করি। এখানে অন্য যারা অভিনয় করেছেন তারাও সর্বোচ্চটা দিয়েছেন। আমার মনে হয়, দর্শক ছবিটি পছন্দ করবেন।
সমসাময়িক অভিনেত্রীদের মধ্যে কাকে বেশি সম্ভাবনাময়ী মনে হয় আপনার কাছে?
নির্দিষ্ট কারো নাম বলা ঠিক হবে? আমি যাদের সঙ্গেই কাজ করি খুঁটিনাটি অনেক বিষয় দেখি। শটের পর কী করছে, শটের আগে কী করছে কিংবা শুটিংয়ে কতটা মনোযোগ—সব বোঝার চেষ্টা করি। এসব দেখে মনে হয়েছে নওবা বেশ সম্ভাবনাময়ী। আইশা খান তো আইশাই। নিজেই প্রমাণ করেছে কতদূর যাবে। এর বাইরে সায়মা ও মালাইকার নাম বলতে চাই। এদেরও সম্ভাবনা অনেক।
আপনি তো পরিচালনাও করেন। নতুন কিছু বানাচ্ছেন?
ভাইরে, পরিচালনা অনেক কঠিন কাজ। যাঁরা নিয়মিত পরিচালনা করেন, তাঁদের স্যালুট। কিভাবে সব সামলান ভেবে পাই না। এই মুহূর্তে নতুন কিছু নির্মাণ করছি না। একটু গুছিয়ে ওঠি। এখন তো অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত আছি।
অনেকে বলেন, আপনার মাঝে ফিল্মিক একটা ব্যাপার আছে। নিজের কাছে কী মনে হয়?
এভাবে চিন্তা করিনি। কেউ যদি আমার মাঝে ফিল্মিক ব্যাপার লক্ষ্য করেন তাহলে ধন্যবাদ। বড় পর্দায় নিজেকে দেখার ইচ্ছা বেশিরভাগ অভিনেতারই থাকে। আমিও ব্যতিক্রম নই। সময়-সুযোগ হলে এই মাধ্যমেও আমাকে দেখা যাবে।
ক্রিকেট খেলতেন একসময়। মিস করেন সেই দিনগুলো?
অবশ্যই। ক্রিকেট ছিল আমার প্রথম ভালোবাসা। ইঞ্জুরির কারণে খেলাটা ছেড়ে দিতে হয়েছে। তবে নিজে খেলা ছাড়লেও নিয়মিত খেলা দেখি।









