ছবিঘর

জীবন একটাই, সেটাকে উপভোগ করতে হবে

নিউজ ডেস্ক১৫ মার্চ ২০২৬৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

‘নীলাঞ্জনা এক্সপ্রেস’ কেমন সাড়া পাচ্ছে?

খুব ভালো। দর্শক নাটকটিতে ফ্রেশ একটা জুটি পেয়েছে। আমার সঙ্গে অভিনয় করেছে নবাগত ফয়জুল ইয়ামিন। দুজনের রসায়নটা দর্শক সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছে।

এটা ‘রোড ট্রিপ ড্রামা’। এই ধরনের গল্প যে কয়টা এসেছে দর্শক সব কটিই লুফে নিয়েছে। এটাও ধীরে ধীরে সবার কাছে পৌঁছবে বলে মনে করি। অনেক দিন তো আমি নাটকে ছিলাম না।

ভক্তরা অপেক্ষায় ছিল কবে নতুন কাজ আসবে। ‘নীলাঞ্জনা এক্সপ্রেস’-এর মাধ্যমে তাদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

নিউইয়র্কে অভিনয়ের ওপর কোর্স করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারছেন?

অভিনয়টা আসলে কোর্স করে হয় না।

এটা চর্চার বিষয়। আপনি যত বেশি ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন ততই আপনার অভিজ্ঞতা হবে। এবার আমেরিকা গিয়েছিলাম লম্বা ছুটিতে। দীর্ঘ সময় লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের বাইরে থাকতে হবে ভেবেই কোর্সটিতে ভর্তি হয়েছিলাম। তবে এটা আমার জন্য অন্য রকম অভিজ্ঞতা।

কোর্সটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের ১০০ জন অডিশন দিয়েছিলেন। সেখান থেকে আমরা ১২ জন চূড়ান্ত হই। বুঝতেই পারছেন, ভিন্ন দেশে, ভিন্ন ভাষায় অডিশন দিয়ে পাস করে তারপর কোর্সটি করেছি। সহজ কোনো বিষয় ছিল না। এটা আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এ কোর্সটির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিতও হয়েছি।

মাঝখানে ওয়েব ছবি ‘ডিম লাইট’ করেছিলেন…

শরাফ আহমেদ জীবন ভাইয়ের পরিচালনায় ছবিটি, সঙ্গে মোশাররফ করিম। তাঁকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সহশিল্পী হিসেবে তিনি অসাধারণ। ‘ডিম লাইট’ দর্শক পছন্দ করেছে। আমিও নানা জায়গা থেকে অভিনন্দন বার্তা পেয়েছি। আমার ভালো কাজগুলোর মধ্যে ‘ডিম লাইট’ অন্যতম।

চাঁদরাতে মুক্তি পাবে ‘একসাথে আলাদা’। ছবিটি কেমন?

আমার পছন্দের তালিকায় এই মুহূর্তে শীর্ষে ‘একসাথে আলাদা’। প্রথমত, এটা কারিনা কায়সারের গল্প, নির্মাণ করেছেন রেজাউর রহমান। খুব লাইটভাবে ছবিটিতে দর্শকের জন্য দারুণ একটা বার্তা দেওয়া হয়েছে। এক ছাদের নিচে থাকলেই তো সম্পর্ক গাঢ় হয় না। একসঙ্গেও আলাদা থাকা যায়। আলাদা থেকেও কি এক হওয়া যায়? জানতে হলে ওয়েব ছবিটি দেখতে হবে। আমাদের দেশে এখনো বিয়ে করলেই মেনে নিতে হয়, মানিয়ে নিতে হয়। প্রথম দিন থেকেই নিজের সাধ-আহ্লাদ বিসর্জন দিতে হয়। কিন্তু এই গল্পে সেটা দেখানো হয়নি। বলা হয়েছে, যেখানে তুমি হ্যাপি নও, সে স্থান ত্যাগ করো। নিজের বেটারমেন্টের জন্য শেষ অবধি চেষ্টা করো। এখন তো নেগেটিভিটি বেশি, পজিটিভ বলতে কিছু নেই। বিবাহবিচ্ছেদ হলেই একের পর এক দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয়। সেই ভয়ে অনেকে মুখ বুজে সহ্য করে দিনের পর দিন। অথচ ইউরোপে গিয়ে দেখেন, বিয়ের ৫০ বছর পরও বিচ্ছেদ হচ্ছে। সেই বিচ্ছেদ তারা সেলিব্রেশন করছে। আমাদের দেশেও সেটা হওয়া উচিত। আসলে জীবন একটাই, সেটাকে উপভোগ করতে হবে। এটাই ‘একসাথে আলাদা’য় বলা হয়েছে।

 

দীর্ঘ সময় লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের বাইরে থাকতে হবে ভেবেই কোর্সটিতে ভর্তি হয়েছিলাম। তবে এটা আমার জন্য অন্য রকম অভিজ্ঞতা। কোর্সটিতে ভর্তি হওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের ১০০ জন অডিশন দিয়েছিলেন। সেখান থেকে আমরা ১২ জন চূড়ান্ত হই। বুঝতেই পারছেন ভিন্ন দেশে, ভিন্ন ভাষায় অডিশন দিয়ে পাস করে তারপর কোর্সটি করেছি। সহজ কোনো বিষয় ছিল না

জিয়াউল হক পলাশের সঙ্গে করেছেন ‘মি. বাদল’…

কাজটা নিয়ে আমি এক্সাইটেড। পলাশ আমার খুব ভালো কো-আর্টিস্ট। আমাদের কাজগুলো দর্শক পছন্দ করে। এখানে পলাশকে স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান চরিত্রে দেখা যাবে। তার জীবনের নানা পর্ব নিয়ে নাটকটি। আমার চরিত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমিও একসময় ওতপ্রোতভাবে তার জীবনে জড়িয়ে যাই। সুলতান এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি দেখা যাবে।

 

ঈদের জন্য আর কিছু করেছেন?

বলতে চাইছিলাম না। তবু বলি…। পান্থ কানাইয়ের একটি গানচিত্রে মডেল হয়েছি আমি আর খায়রুল বাসার। গানটি শোনার পর খুব পছন্দ হয়েছে। এমনিতে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে দু-একটা গানচিত্রে মডেল হয়েছিলাম। তবে বাণিজ্যিকভাবে এবারই প্রথম। এখানে বিভিন্ন চরিত্রে আমাকে হাজির হতে দেখা যাবে। আশা করি, গানটি আপনাদেরও ভালো লাগবে।