সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য যেমন জীবনযাপন করা উচিত, তার মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে চিনি খাওয়া কমানো। খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত চিনির ব্যবহার খিটখিটে মেজাজ ও স্থূলতা থেকে শুরু করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ পর্যন্ত নানা স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে। এই রোগগুলোর ঝুঁকি আরো বেড়ে যায় যদি তা জেনেটিক্সের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়।
তাই শরীরের সুগারের নিয়ন্ত্রণ করতে হলে চিনি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।

আপনিও যদি চিনির ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে কীভাবে করবেন তা জেনে নিন।
চিনিযুক্ত খাবার বাছাই করুন
চিনি কেবল ক্যান্ডি ও মিষ্টান্নেই নয়, রুটি, সস, সিরিয়াল এমনকি সুস্বাদু খাবারের মতো অনেক প্রক্রিয়াজাত খাবারেও লুকিয়ে থাকে চিনি। ছোট থেকে শুরু করুন এবং প্রতিটি পণ্যের পেছনে পুষ্টির লেবেল সাবধানে পড়ার চেষ্টা করুন। ‘হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ’, ‘সুক্রোজ’, ও ‘গ্লুকোজ’ এর মতো শব্দগুলো খুঁজুন, কারণ এগুলো চিনির কিছু মূল ডেরিভেটিভ।
ধীরে ধীরে শুরু করুন
হঠাৎ করে চিনি ছেড়ে দেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে এবং মাঝে মাঝে চিনি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই হঠাৎ করে ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে ধীরে ধীরে চিনি গ্রহণ কমিয়ে দিন। যদি কফিতে দুই চা চামচ চিনি যোগ করার অভ্যাস থাকে, তাহলে তা কমিয়ে এক বা অর্ধেক চা চামচ চিনি নিতে পারেন এবং তারপর একেবারেই বাদ দিন।
হোল গ্রেইন ফুড খান
খাদ্যতালিকায় হোল গ্রেইন ও অপ্রক্রিয়াজাত খাবার যোগ করুন।
ফল, শাকসবজি, হোল গ্রেইন, চর্বিহীন প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি সবগুলোতেই চিনি খুব কম এবং পুষ্টি ভরপুর থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করতে এবং ক্ষুধা দমন করতে সহায়তা করে।
প্রাকৃতিক মিষ্টি খান
মিষ্টি খেতে ইচ্ছা হলে তাজা ফল, দারুচিনি বা ভ্যানিলা নির্যাসের মতো প্রাকৃতিক খাবারের দিকে ঝুঁকুন, যা প্রক্রিয়াজাত চিনির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্বাদ যোগ করে। এতে মিষ্টিও খাওয়া হবে এবং শরীরে কোনো ক্ষতিকর চিনি প্রবেশ করবে না।
হাইড্রেট থাকুন
কখনো কখনো তৃষ্ণাকে ক্ষুধা বা চিনির আকাঙ্ক্ষা বলে ভুল করা হয়। সারা দিন পানি পান করলে তা চিনিযুক্ত খাবারের তাড়না কমাতে সাহায্য করতে পারে।
যদি সাধারণ পানি একঘেয়ে মনে হয় তবে ভেষজ চা ও ফলের রস এক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী হতে পারে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









