সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
মেজাজ হারানো মানুষের সাধারণ একটি সমস্যা। অনেক কারণে মানুষের মেজাজের পরিবর্তন হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ভিন্ন সমস্যায় মানুষ মেজাজ ভিন্নভাবে পরিবর্তিত হয়। যেমন বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডারে শুরুতে কেবল অতি-আবেগ বা অতি-রাগ, অতিরিক্ত মেজাজ দেখা যেতে পারে। এর সঙ্গে ভুল বা আজগুবি ধারণা, অনিদ্রা, সন্দেহ, অস্থিরতা ও মনোযোগের অভাব দেখা দেয়। কোনো আঘাত বা শোকের পরও এমন হতে পারে, যাকে বলা হয় পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার। উদ্বেগজনিত সমস্যায় মেজাজ খারাপ থাকতে পারে অনেকের। আকস্মিক মন-মেজাজের এমন পরিবর্তনের সঙ্গে মনের অন্যান্য পরিবর্তন থাকলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে কিছু শারীরিক রোগও আছে, যা আপনার মেজাজকে অস্থির করে দিতে পারে।
শান্ত থাকুন : কোনো কারণে বিরক্তি হলে তার প্রভাব পড় মেজাজের ওপর। খিটমিটে লাগে সব কিছুতে। তবে এ খিটমিটে মেজাজের সময় শান্ত থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। না হয় বড় ধরনের কোনো ভুল হয়ে যেতে পারে।

সবকিছু মনের গভীরে নেবেন না : রাগের মাথায় মানুষ অনেক কিছুই বলে, সবকিছুকে সিরিয়াসলি মনে নিতে নেই। সব কিছু দেখতে নেই। কিছু জিনিস দেখেও না দেখার ভান করা ভালো। পাত্তা দিলেই ঝামেলা বাড়ে।
পর্যাপ্ত ঘুম : বিষণ্ণতার প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো ঘুমের অভাব। আপনাকে পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। ঘুমের ব্যাঘাত শুধু আমাদের শারীরিকভাবেই ক্ষতি করে না, এটা তৈরি করে মানসিক অবসাদ এবং বিষন্নতা। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমালে বিষণ্ণতা দূর করা অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : সঠিকভাবে খাদ্যগ্রহণ এ রোগ অনেকটা কমিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, উপযুক্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবারের অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দিতে পারে আর তাই তারা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলেন বেশি করে।
মন ফ্রেশ রাখুন : বিষণ্ণতায় ভুগছেন কিন্তু ভবিষ্যতে এমন ডজন ডজন ঘটনা ঘটতে পারে যেটা সম্পর্কে আপনার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই আর তাই বিষণ্ণতা থেকে বের হয়ে মনকে রাখতে হবে উৎফুল্ল। নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হোন, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করুন, সময় ব্যয় করুন। এমন হতে পারে এদের সঙ্গে মিশে এতটাই আনন্দিত হবেন যে আপনি কল্পনাও করতে পারেননি। আপনার দিনগুলো হয়ে ওঠতে পারে আনন্দময়। অতএব আনন্দময় মুহূর্তগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ হোন।









