ছবিঘর

এবার জ্ঞান অর্জন করেই এলাম

নিউজ ডেস্ক৭ এপ্রিল ২০২৬৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

আমিও একদিন এমনই এক আসরে মুকুটটি পরেছিলাম। ‘লাক্স সুপারস্টার’ দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে যাঁরা বের হয়েছেন, পরবর্তী সময়ে সবাই সফল হয়েছেন

 

ফোনে আপনাকে পাওয়াই যাচ্ছিল না…
একটা শুট করছি। কাজী আসাদ ভাইয়ের পরিচালনায় একটা ওয়েব ছবি করেছি,

সেটিরই পোস্টার শুট চলছে।

এ কারণেই ফোনে পাচ্ছিলেন না।

ক্যামেরার সামনে তাহলে ব্যস্ততা বেড়েছে…
হা হা হা, তা বলতে পারেন। বিগত বছরগুলোতে কিছুটা এক্সপেরিমেন্ট করেছি। আসলে ‘পরাণ’ করার পর আরো বেশি দায়িত্ব বেড়ে গিয়েছিল।

তাই যে কেউ ছবি করার প্রস্তাব দিলেই রাজি হইনি। আমার সর্বশেষ ছবি মুক্তি পাওয়ার পরও তিন বছর কেটে গেছে। এই তিন বছরে বলতে গেলে হাতে গোনা তিন-চারটা কাজ করেছি। গত বছর থেকে বেশ কয়েকটা ভালো কাজের প্রস্তাব পাচ্ছি।

যেমন, আলভী আহমেদের ‘জীবন অপেরা’, সাইফ চন্দনের ‘মালিক’ বা এই ওয়েব ছবিটা। এগুলো কিন্তু করছিই। কাল [আজ] থেকে আবার ‘জীবন অপেরা’র শুটিং করব। আগেও কয়েক দিন শুটিং করেছি ছবিটির। এখানে নতুন এক মিমকে পাবেন দর্শক।

 

‘মালিক’ তো রোজার ঈদে আসার কথা ছিল। কোরবানির ঈদে আসবে?
এটা তো নির্মাতা বলতে পারবেন। অল্প কিছু শুটিং বাকি। এক দিনের সিকোয়েন্স, এরপর একটা গানের শুট করলেই শেষ হবে। আমার মনে হয় নির্মাতা কোরবানির ঈদকেই টার্গেট করে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

 

৩ এপ্রিল নতুন লাক্স সুপারস্টারের মাথায় মুকুট পরিয়ে দিলেন…
হ্যাঁ। দারুণ ছিল মুহূর্তটা। আমিও একদিন এমনই এক আসরে মুকুটটি পরেছিলাম। ‘লাক্স সুপারস্টার’ দেশের সুন্দরী প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম। এখান থেকে যাঁরা বের হয়েছেন, পরবর্তী সময়ে সবাই সফল হয়েছেন। পুরো দেশ এই প্রতিযোগীদের দিকে তাকিয়ে থাকে। যে বিজয়ী হয় শুধু সে নয়, সেরা দশে বা বিশেও যারা থাকে তারাও কিন্তু পরিচিতি পায়। অনেক ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারে তারা বিজয়ীকেও পেছনে ফেলে দেয়। এই প্ল্যাটফর্মে আসা মানেই শোবিজে একটা লম্বা জার্নির সুযোগ পাওয়া।

 

এবারের বিজয়ী বিদুষী বর্ণিতাকে কেমন দেখলেন?
দেখেন, রাতারাতি তো সে সুপারস্টার হয়ে গেছে। এখন যদি ডিসিপ্লিন ঠিক থাকে, জীবনযাত্রা ঠিক থাকে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন হয়, তাহলে সে ভালো করবে। এমনিতে রায়হান রাফীর মতো নির্মাতা তাকে নিয়ে ছবি করার ঘোষণা দিয়েছেন। মানে বড় পর্দায় যাত্রাটা তো সফলভাবেই শুরু হতে চলেছে। এই ধারাটা শুধু ধরে রাখতে হবে এখন।

 

ঈদের সময়টা চীনে ছিলেন পরিবারসহ। কেমন অভিজ্ঞতা হলো?
একেকটা দেশের সমাজ-সংস্কৃতি একেক রকম। আমি সেগুলো উপভোগ করার চেষ্টা করি। একটা কথা চালু আছে, জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে যাও। আমিও তাই ভাবলাম, অনেক দেশ তো ঘোরা হলো। এবার চীনে গিয়ে জ্ঞান অর্জন করেই আসি! এবার আমার পুরো পরিবার তো ছিলই, সঙ্গে মামাতো বোনের পরিবারও ছিল। সবাই মিলে চীনের বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান ঘুরেছি। এক কথায় দারুণ লেগেছে। চীনে চলচ্চিত্রের বাজার কিন্তু অনেক বড়। সেটারও কিছু ধারণা নিয়ে এলাম।

 

পুরো বিশ্ব ভ্রমণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।
এখন পর্যন্ত কতগুলো দেশভ্রমণ হলো?
ত্রিশটা তো হবেই। কাজের বিরতি পেলেই বিভিন্ন দেশ ঘোরার প্ল্যান করি আমি। আবার বিরতি পেলে ইউরোপের কয়েকটি দেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। দেখা যাক, পুরো বিশ্ব ভ্রমণ করতে কত বছর লাগে!