সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
অস্বাস্থ্যকর জেনেও অনেকে ইফতারে ভাজাপোড়া খান। কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতনদের ভাবনায় থাকে স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার। ভাজাপোড়ার পরিবর্তে তারা বিভিন্ন খাবার খেয়ে থাকেন। এ ছাড়া ইফতারে আর কী কী রাখতে পারেন, তা নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।
এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন গুলশান ক্লিনিক লিমিটেডের নিউট্রিশন ও ডায়েট কনসালট্যান্ট মাইশা ফারজানা অন্তরা। আর লিখেছেন চান্দ্রেয়ী মম। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।

অল্প তেলে ভুনা ছোলা
ইফতারে ছোলা ভুনা খাওয়ার চল অনেক আগের।
বেশির ভাগ সময় বেশি তেল ও মসলা দিয়ে তৈরি করা হয় ছোলা ভুনা। যারা কম তেল খেতে চান তারা প্রথমে ছোলা সিদ্ধ করে নিন। এরপর সামান্য তেল দিয়ে ভুনা করে নিন। সঙ্গে বেশি সবজি দিয়ে সালাদ তৈরি করে মিশিয়ে নিন।
দই-চিড়া
দই ও চিড়ার সঙ্গে পাকা কলা মিশিয়ে নিন। সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে ইফতারে খেতে পারেন। শুধু চিড়া ও কলা মেখেও খেতে পারেন। ইচ্ছা হলে এর সঙ্গে বাদাম ও মধু মিশিয়েও খেতে পারেন ইফতারে।
কাঁচা ছোলা
কাঁচা ছোলার সঙ্গে আদা ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন।
এটি অত্যন্ত উপাদেয় এবং শরীরের জন্য ভালো একটি খাবার। সারা দিন রোজার পর সহজেই শরীরে শক্তি জোগাবে খাবারটি।
খেজুর ও দুধ
খেজুর দুধে ভিজিয়ে রেখে খেতে পারেন। এটি একটু খেলেই পেট অনেকটা ভরে যায়।
মৌসুমি ফল
শরীরের জন্য উপকারী মৌসুমি ফলমূল। রোজার সময় নানা রকম ফলের শরবত তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ফলের সালাদ তৈরি করা যায়। আপেল, শসা, আঙুর, বরই, ডালিম একত্র করে সালাদের মতো বানিয়ে টক দই মিক্স করে খেতে পারেন। এতে পেট ঠাণ্ডা থাকবে।
ওটস ও ডিমের প্যানকেক
ওটস ও ডিম দিয়ে প্যানকেক তৈরি করে খেতে পারেন। এতে একদমই তেল প্রয়োজন হয় না। প্যানকেক তৈরি করার পর মধু দিয়েও খেতে পারেন।
চিয়া সিড
চিয়া সিড, দুধ ও ফল সারা দিন একত্রে ভিজিয়ে রেখে ইফতারে খেতে পারেন। অনেকে পানিতে চিয়া সিড অথবা মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করে থাকেন। আপনি চাইলে ইফতারেও এটি রাখতে পারেন।
ডিম, মুরগি সিদ্ধ
সালাদের সঙ্গে সিদ্ধ ডিম বা মুরগির মাংস যোগ করেও খেতে পারেন ইফতারে।
মোমো
জাপানিজ খাবার মোমো তেলবিহীন ভালো খাবার। এটি সবজি বা মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এটি তৈরিতে একদমই তেলের ব্যবহার নেই। গরম পানির ভাপে সিদ্ধ করে তৈরি করা হয়।
ইফতারে মোমো রাখতে পারেন। খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে যিনি খাচ্ছেন তার যেন কোনো শারীরিক সমস্যা না হয়। অনেকের ডায়াবেটিস, এসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক ও অন্যান্য সমস্যা থাকতে পারে। এসব বিবেচনায় রেখে রমজানের ইফতার খেতে হবে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









