সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
বিখ্যাত মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ফাইজারের হাতেই এখন পৌরুষ বাড়ানোর ওষুধ ‘ভায়াগ্রা’-র পেটেন্ট রয়েছে। কিন্তু সেটা আর মাত্র দু’বছরের জন্য। ২০২০ সালেই শেষ হয়ে যাবে ফাইজারের পেটেন্টেনর মেয়াদ। আর তার আগেই ভারতের বিভিন্ন ওষুধপ্রস্তুতকারী সংস্থা ‘নীল-পিল’ বানানোর তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমধ্যমের দাবি, সাতটি ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছে। এমনিতেই ওষুধ রফতানির ক্ষেত্রে ভারতের সব থেকে বড় বাজার আমেরিকা। সেখানে পৌরুষের অভাবে ভোগো ৫ কোটি রোগীর বাজারেও আর দু’বছর পরে থাবা বসাতে পারে ভারতীয় সংস্থা।

রুবিকন রিসার্চ, হেটেরো ড্রাগস, ম্যাকলিঅডস ফার্মা, ডক্টর রেড্ডি, অরবিন্দ ফার্মা, টোরেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস এবং অজন্তা ফার্মা ভায়াগ্রার মতো ওষুধ তৈরির জন্য প্রস্তুত। আর যে দামে ভারতীয় সংস্থাগুলি ওই ধরনের ওষুধ বিক্রি করবে তাতেই পিছু হটতে হতে পারে মার্কিন সংস্থা ফাইজারকে।
ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতীয় সংস্থাগুলির লক্ষ্য— আমরিকায় যে দামে ভায়াগ্রা বিক্রি হয় তার থেকে ৯৯ শতাংশ দাম কমিয়ে দেওয়া। আর তাতেই তৈরি হবে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। আর ভায়াগ্রার বাজার চলে আসবে ভারতের হাতে।
উল্লেখ্য, ফাইজারের তৈরি ভায়াগ্রা ট্যাবলেটের ডাম ৬৫ ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা মোটামুটি সাড়ে চার হাজার টাকা। এখন ফাইজার ভায়াগ্রার একটা জেনেরিক ভারসন বাজারে এনেছে যার দাম প্রায় অর্ধেক। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতে একই রকম ওষুধের দাম অনেক কম।
মুম্বইয়ের ম্যাকলিঅডস ফার্মাসিউটিক্যালস ২০১২ সাল থেকে আমেরিকায় ওষুধ রফতানি করে। ভারতে তাদের পৌরুষ বর্ধক যে ওষুধ রয়েছে তার নাম— ম্যাকসূত্র। দাম— প্রতি ট্যাবলেট ৫৮ টাকা।
অজন্তা ফার্মার একই রকম ওষুধ ‘কামাগ্রা’-র দাম ট্যাবলেট প্রতি ৩২ টাকা।









