নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে এ তথ্য উঠে আসে।
অন্যদিকে, শতভাগ পাস করা ৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ৩৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণ হতে না পাড়া এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরিন।

শূন্য পাস করা ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে-বগুড়ার গাবতলীর তসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজ। এই কলেজের ৪৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এছাড়া নওগাঁর নিয়ামতপুরের শাংসইল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৫ জন, রাজাপুর বাট্টোলিহাট কলেজের ৮জন, মান্দা এসসি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ জন, নাটোরের গুরুদাসপুরের বঙ্গবন্ধু সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিএম ইনস্টিটিউটের ১২ জন, পাবনা সাঁথিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুকু কলেজে ১০ জন, চন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪ জন, নাটোর সদরের আবুল খায়ের কলেজের ৮ জন, জয়পুরহাট সদরের শালপাড়া আইডিয়াল কলেজের ৭ জন, রাজশাহী জেলার পুঠিয়ার বেলপুকুরিয়া উইমেন্স কলেজের ৫ জন, বাঘার তেঁতুলিয়া পিরগাছা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ অ্যান্ড ভোকেশনালের ৩ জন, বাগমারার পীরগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন, বোলশিং হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন, কাটিলা সবুজ সংঘ আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন, রাজশাহী কমার্স কলেজের ১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়।
শতভাগ পাস করা ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বগুড়ার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এবছর ৮০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তারা সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। মিলেনিয়াম স্কলাস্টিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭৬ জন, জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের ৫২ জন, পাবনা ক্যাডেট কলেজের ৪৮ জন, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের ৪৬ জন, স্কয়ার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ জন, সিংড়ার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ জন, রাজশাহীর দুর্গাপুরের হরিরামপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১ জন এবং সিরাজগঞ্জের হযরত শাহ কামাল কলেজের ১ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফলে এই কলেজগুলো থেকে শতভাগ পাস করেছে পরীক্ষার্থীরা।
শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরিন বলেন, শতভাগ ফেল করা কলেজগুলোকে চিঠি দেওয়া হবে। কেন এমন ফলাফল তা জানতে চাওয়া হবে। বিগত বছরে এমন ফেল করা কলেজগুলোতে চিঠি দিয়ে শিক্ষাবোর্ডে ডাকা হয়েছিল। এ বছর সেই সব কলেজে শতভাগ ফেল নেই।









