আইন আদালত

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন মাহমুদুর-নাহিদ

নিউজ ডেস্ক১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেবেন তাঁরা।

আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল মাহমুদুর ও নাহিদের। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আসতে পারেননি তাঁরা।

এ অবস্থায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হলে ১৫ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালে দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই মামলায় আজ (বুধবার) শুনানির দিন ধার্য ছিল।

মামলার ঐতিহাসিক সাক্ষী, অর্থাৎ প্রেক্ষাপটের সাক্ষ্য দেবেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক নাহিদ ইসলাম—এমন প্রস্তুতি ছিল প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। কিন্তু তাঁরা ব্যক্তিগত কারণে আসতে পারেননি। তাই প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করেন। আগামী সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী সাক্ষ্য উপস্থাপনের দিন ধার্য করেছেন।
’
সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি বা ঊর্ধ্বতনের নির্দেশনার দায়সহ জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১০ জুলাই বিচার শুরু আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গত ৩ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের পর শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। শেখ হাসিনা ছাড়া মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। মামুনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি এই মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়েছেন।

গত ৪ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মামুন। তাঁকে নিয়ে এ পর্যন্ত ৪৫ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। শেখ হাসিনা ও কামালকে পলাতক দেখিয়ে বিচারকাজ চলছে। তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী রয়েছেন মো. আমির হোসেন।