সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
হাওরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন নতুন নয় জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘হাওরাঞ্চলে জলাবদ্ধতার মূল কারণ হলো বিগত সরকারের সময় অপরিকল্পিত উন্নয়ন। এতে হাওরের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। যা এখন জলাবদ্ধতা সংকটকে প্রকট করে তুলেছে। অতীতে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কিছু সড়ক ও অবকাঠামো নির্মিত হলেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
তাই এখন ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে হাওরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।’
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাসন রাজা মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘বর্তমান সরকার হাওরের এই সংকট মোকাবেলায় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে হাওরাঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের দল ও প্রশাসনকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
’
মিনু বলেন, ‘হাওরের মৎস্যজীবীরা মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছেন। মধ্যস্বত্বভোগীরা বিদেশে থেকে, ঢাকা ও সিলেটে থেকে জলমহাল ভোগ করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রকৃত মৎস্যজীবীরা। এখন থেকে আর এসব হবে না।
প্রধানমন্ত্রী আমাদের সুবিধাভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দিয়েছেন।’
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।
এ ছাড়া কর্মশালায় সিলেট বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









