বসন্তের শুরুতে রাজশাহীর বাজারে দেখা মিলছে তরমুজ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গ্রীষ্মের তপ্ত দিনে তৃপ্তি এনে দেয় এক ফালি তরমুজ। গ্রীষ্মজুড়ে ফলটির চাহিদাও থাকে ব্যাপক। ফলে গ্রীষ্মের ফল হিসেবে সুপরিচিত তরমুজ।

তবে এবার বসন্তের শুরু থেকেই রাজশাহীর বাজারে ব্যাপকহারে দেখা মিলছে তরমুজের। কিন্তু এখনও শীতের আমেজ থাকায় দাম কম হলেও বিক্রি খুবই কম। ফলে হতাশ তরমুজ বিক্রেতারা। আর চুক্তি অনুযায়ী আগাম জাতের তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে কিনে আড়ত ফেলে রেখে লোকসানের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

যদিও রাজশাহীতে খুব অল্প পরিমাণে তরমুজ চাষ হয়। সেটা এখনও বাজারে আসেনি। দেড় মাস পর গ্রীষ্মকাল শুরুর দিকে রাজশাহীতে উৎপাদিত তরমুজ বাজারে পাওয়া যাবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরেই রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, রেলস্টেশন, শিরোইল কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে।

নগরীর শালবাগানের পাইকারি আড়ত থেকে এসব তরমুজ কিনে বাজারে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছেন ফল ব্যবসায়ীরা। খুচরায় প্রতি কেজি ৫০ টাকা দর হাঁকা হচ্ছে এসব তরমুজের।

শনিবার ( ১৫-ফেব্রুয়ারি ) সকালে নগরীরর সাহেববাজারে তরমুজ কিনছিলেন বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা আশিকুল ইসলাম আশিক। তিনি বলেন, ‘বসন্তের মাস শুরু এখনও শীত পড়ছে। এজন্য তরমুজ খাওয়া হচ্ছে না। তবে নতুন ফল আর আমার মেয়ে তরমুজ খুব পছন্দ করে। তাই ফলটি দেখে কিনলাম’।

বিক্রেতা দানা বলেন, ‘অন্য বছরগুলোর চেয়ে অনেক আগেই বাজারে তরমুজ এসেছে’। সেই হিসেবে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন অনেক চাষি। আমরাও লাভের আশায় পাইকারি দামে কিনে খুচরা বিক্রি করছি। তবে বেশ শীত থাকায় বিক্রি নেই বললেই চলে। আবহাওয়া গরম হলে বিক্রি জমবে বলে আশা করছেন তিনি।’

তিনি জানান, আগাম জাতের কালা, বাংলালিংক, গ্রামীণ, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২, বালিসহ বিভিন্ন জাতের তরমুজ উঠতে শুরু করেছে।এ অঞ্চলে গরম বেশি পড়ায় তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকে।

তিনি বলেন, ‘লাভবান হতে ব্যবসায়ীরা মৌসুম জুড়ে তরমুজ ব্যবসায় ঝুঁকছেন। তবে এবার আবহাওয়া ভিন্ন থাকায় তারা লোকসানের মুখে পড়তে পারেন।’

স/রি

Print