রাজশাহীতে ১৫ টাকার গোলাপ ৫০ থেকে ১০০ টাকা!

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহীতে ১৫টাকার গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে শুরু করে ১০০টাকায়। এমনটি সম্ভব হয়েছে বসন্তবরণ ও ভালবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে। তবে দাম বাড়লেও মানুষ গোলাপ কিনছেন প্রিয়জনের জন্য।

এদিকে ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র্র করে রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার এলাকার ফুলের দোকানগুলো বাহারি রঙের গোলাপ আর নানা রঙের ফুলে সাজানো হয়েছে বিক্রির জন্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই ১৪ ফেব্রুয়ারি গোলাপের দাম বেড়ে যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। বরং বসন্ত বরণ আর ভালবাসা দিবস এক সাথে হওয়ায় আগের বছরগুলোর চেয়ে আরেকটু বেশি দাম বেড়েছে। অন্যান্য সাধারণ দিনে একটি গোলাপ সাধারণত ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু এই দিনে গোলাপকে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছে। তাই গোলাপের সর্বনিম্ন দাম চাওয়া হচ্ছে ৩০ টাকা। আর নেট দিয়ে পেচানো গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৫০থেকে ১০০ টাকায়।  এছাড়া গাঁদা ফুলের মালা ৫০টাকা, মাথার টায়রা ১০০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ক্রেতারা বলছেন, বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে ফুলের দাম বেড়ে গেছে। তাই দোকানিরা গোলাপের মান ভেদে দাম বেশী নিচ্ছেন। একেক জন বিক্রেতা একেক রকম দাম নিচ্ছেন বলেও অনেকে অভিযোগ করেন।

গোলাপ কিনতে আসা রাজন বলেন, ফুলের দোকানে এসে অনেক ভালো লাগছে। কিন্তু ফুলের দাম অনেক বেশি। ৩দিন আগে যেই ফুলের দাম ছিলো ১৫- থেকে ২০ টাকা সেটি আজকে ৪০-৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে ফুল বিক্রেতারা বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি বাগান মালিকরা ফুলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ কারনে তাদেরও বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

নগরীর সাহেব বাজারের ফুল বিক্রেতারা বলছেন, দিবসটি ভালোবাসার। তাই দাম বেশি চাওয়া হলেও তারা ফুল কিনতে কৃপণতা করছেন না। তবে এবার বিগত বছরের তুলনায় ফুলের দাম বেশী। গাড়ি ভাড়া ও যাবতীয় খরচসহ আমাদেরই ২০ থেকে ২২ টাকা করে ফুল কিনতে হচ্ছে। আর বসন্ত বরণ ও ভ্যালেনটাইন একদিনে হওয়ায় ফুলের চাহিদাও ছিল অনেক। তাই একটু বেশী দামেই ফুল বিক্রি করতে হয়েছে।

নগরীর নিউমার্কে এলাকার ফ্লাওয়ার এন্ড মোবাইল কর্ণারের মালিক ইমরান বলেন, আগে যশোরের বাগান মালিকদের কাছে যে ফুল ১০টাকায় কিনতাম, সেটি এখন ২০ থেকে ২২ টাকায় কিনতে হচ্ছে। গাড়ি ভাড়া ও যাবতীয় খরচসহ আমাদের ফুল বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আমি আজ সারাদিন ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যেই গোলাপ বিক্রি করেছি। এখনও আনেক গোলাপ রয়েছে।

স/অ

Print