বাঘায় সমাজশ্রুত পরিবার ও গ্রাম প্রধানের মধ্যে সমঝোতা

December 2, 2019 at 5:08 pm

বাঘা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাঘায় সমাজশ্রুত এক পরিবার ও গ্রাম প্রধানের মধ্যে নিজেরা বসে সমঝোতা করে নিয়েছেন। সোমবার সকালে উভয় পক্ষ বসে নিজের মধ্যে ভূলবুঝাবুঝি অবসান ঘটিয়ে এই সমঝোতা করে নেয়া হয়।

জানা যায়, বাঘা উপজেলার বাউসা মাঝপাড়া গ্রামের সমাজশ্রুত অজিত কুমার প্রামানিকের সাথে সমাজ প্রধান রনজিত সরকার, গোউর সরকার, আনন্দ কুমার, অতুল প্রফেসার, রহিনী কান্ত প্রামানিক, জিতেন কুমার প্রামানিক, নিরা বাবুর সাথে পরিত্যাক্ত মন্দিরের জমির আইলের উপর মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই সপ্তাহ আগে দ্বন্দ্ব হয়। এ দ্বন্দ্বের জের ধরে অজিত কুমার প্রামানিকের স্ত্রী মুক্তি রানিকে গালিগালাজ করে।

এর প্রতিবাদ করলে তাকে উল্টো নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে সমাজ প্রধানরা গত ২৭ নভেম্বর সামাজিকভাবে শালিস বৈঠক করে। এই শালিশে সমাজ প্রধানরা অজিত কুমারের পরিবারকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলেন। সে ক্ষমা না চাওয়ায় ৯ দিন আগে তার পরিবারকে সমাজশ্রুত করে দেয়া হয়। এ ঘটনা বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলামের নজরে আসলে রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় ও উভয় পক্ষ ডেকে সমঝোতা করে নিতে বলেন।

এ বিষয়ে সমাজশ্রুত হওয়া অজিত কুমার প্রামানিক বলেন, সমাজের লোকজনের সাথে আমার একটা সমস্যা হয়েছিল। ফলে তারা আমার পরিবারের সাথে সকল কর্মকাণ্ড ও দেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য একটি শালিস হয়। বিষয়টি পুলিশ অবগত হয়ে উভয়কে ডেকে মিমাংসা করে নেয়ার কথা বলেন। পরে আমরা উভয়ে বসে সমঝোতা করে নিয়েছি।

বাউসা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি প্রথমের দিকে কিছুই জানা ছিলনা। পরে বাঘা থানার পুলিশের নজরে আসলে সেটা নিজেরা বসে মিমাংসা করে নিয়েছেন।

সমাজ প্রধান রনজিত সরকার বলেন, সমাজের বসবাস করতে হলে উভয়ের মধ্যে দু/একটি কথা হয়। তেমনি আমাদের নিজেদের মধ্যে একটা সমস্যাটা হয়েছিল। সেটা নিজেরা বসে মিমাংসা করে নিয়েছি।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার কথা শুনে অনুসন্ধানের জন্য সরেজমিনে গিয়ে জানতে পারি ঘটনাটি নিজেদের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল। তবে আমার জানা মতে তাদের নিজেদের মধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।

Print