তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-রাবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা

November 14, 2019 at 10:19 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাবি:
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে পুলিশের এক কনস্টেবল। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর গেটে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরে ওই শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

ভুক্তভোগী হুমায়ন কবির নাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রলীগের কর্মী। তবে মারধরকারী পুলিশ কনস্টেবলের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর গেট দিয়ে নাহিদ মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ করছিলেন। তখন দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ তার মোটরসাইকেল আটক করে কাগজপত্র দেখতে চান। নাহিদ মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না দেখিয়ে জানায় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গাড়ির সামনে সে তার স্টুডেট স্টিকার দেখান। পুলিশ তারপরেও তার কাগজপত্র দেখতে চান। তখন নাহিদ তার বাইকের কাগজপত্র দেখান। গাড়ির কাগজের নাহিদের নাম ছিল না, সেখানে তার বড় ভাইয়ের নাম ছিল। তখন মতিহার জোনের সহকারী কমিশনার মাসুদ রানা নাহিদকে থানায় নিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অর্ডার করেন। এ সময় পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে নাহিদের বাকবিতণ্ড শুরু হয়। বাকবিতণ্ডর এক পর্যায়ে ওই কনস্টেবল পুলিশ নাহিদকে মারধর করে ও টেনেহিঁচড়ে থানায় তুলে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বিনোদপুর গেটে শিক্ষার্থীদের ভিড় জমে যায়। তারা সেখানে দায়িত্বরত অন্য পুলিশদের আটক করে রাখে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নাহিদকে থানা থেকে আবার ক্যাম্পাসে ফেরত নিয়ে আসা হয়। এ সময় পুলিশ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু পুলিশের সঙ্গে কথা বিষয়টির সমাধান করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা পুলিশের সহকারী কমিশনার মাসুন রানা শিক্ষার্থীদের কাছে এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চান।

জানতে চাইলে মতিহার থানার (ওসি) হাফিজুর রহমান সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, এখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। মারধরকারী পুলিশের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, পুলিশ আমাকে ঘটনাটি অনেক পরে জানিয়েছে। আমি ক্যাম্পাসের বাহিরে অবস্থান করছি। তবে ঘটনাটি শুনার পরই আমি সেখানে দুইজন সহকারী প্রক্টর পাঠিয়েছি।

স/অ

Print