বাঘায় গ্রামে গ্রামে আলোর ব্যবস্থা করছে গ্রীণলাইট

March 19, 2019 at 8:47 pm

বাঘা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাঘাসহ ৬টি উপজেলায় সহজলভ্যাংশে জ্বালানী এবং আলোর ব্যবস্থা করছে গ্রীণ লাইট বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট লিমিটেড। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বলিহার ও ছাতারি এলাকায় পৃথক দু’টি বায়োগ্যাস চালু করার মাধ্যমে তাদের প্ল্যানটেশানের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০টিতে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এক দিকে যেমন রান্না এবং আলোর সমস্যা সমাধান হচ্ছে। অপর দিকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানসহ জৈবসার পাচ্ছেন এলাকার কৃষক।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের অনুমতিক্রমে ২০১৭ সালে রাজশাহীর শাল বাগান এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে আত্মপ্রকাশ ঘটে গ্রীণ লাইট বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট লিমিটেডের। এই কোম্পানীর শেয়ার হোল্ডার ৭ জন। এদের কাজ হলো- যে সমস্ত বাড়িতে গরু কিংবা মুরগীর খামার রয়েছে তাদেরকে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে সহজ লভ্য জ্বালানী এবং আলোর ব্যবস্থা করে দেয়া। সেই ধারাবাহিকতায় গত দুই বছরে রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পুঠিয়া, গোদাগাড়ী, মোহনপুর এবং পাশ্ববর্তী নাটোর জেলার লালপুর ও বাগাতিপাড়া মিলে মোট ৭টি উপজেলায় ৩০টি প্ল্যান্ট (প্রকল্প) বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে ।

সরেজমিন মঙ্গলবার সকালে বাঘা উপজেলার বলিহার গ্রামের আক্কাছ আলীর বাড়ি গিয়ে দেখা গেছে, ১ হাজার ৩০০ করে দু’টি মুরগীর খামারের বিষ্ঠা’র মাধ্যমে ৩০০ সেপটির প্ল্যান্টটেশান চালু করা হয়েছে। এতে ব্যায় হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। এই প্ল্যান্ট এর মাধ্যমে বাড়ির রান্না-বান্না ছাড়াও আলো এবং প্রয়োজনে ফ্যান চালানোসহ ৫-৬ ঘন্টা জেনারেটর চালানো যাবে বলে নিশ্চিত করেন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান রিপন।
এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানীর অন্যান্য শেয়ার হোল্ডাররা। এর আগে তাঁরা ছাতারি এলাকায় গোবরের মাধ্যমে রুহুল আমিনের বাড়িতে ১১২ সেপটির একটি মিনি প্ল্যান্টটেশান বাস্তবায়ন করেন।

কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান রিপন বলেন, যে সমস্ত এলাকায় এখনো গ্যাস পৌঁছায়নি, সে সমস্ত এলাকার মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত সহজলভ্য জ্বালানী। তিনি বলেন, এ গ্যাস কারখানা থেকে শুধু বাড়ীর গৃহিনীরাই উপকৃত হবেন না। একই সাথে উপকৃত হবে এ অঞ্চলের কৃষক। কারন এ প্ল্যান্টটেশান থেকে প্রতি মাসে শত শত কেজি জৈব সার উৎপন্ন হবে। মূলত এই জৈব সার বিক্রির অর্ধেক টাকা কোম্পানী পাবে এবং এটিই তাদের ব্যবসার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স/শা

Print